গতবারও তিনি বিধায়ক ছিলেন। এবার বিজেপি সরকার গড়েছে। তিনিও ফের শিলিগুড়ি থেকে জয়ী হয়েছেন। রাজ্য বিজেপির অন্যতম মুখ শংকর ঘোষ। এবার সাধারণ মানুষের জন্য জনতার দরবার শুরু করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক। ‘সরাসরি শংকর’ কর্মসূচিতে হাজির হলেন শ’য়ে শ’য়ে সাধারণ মানুষ। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, জমি বেদখল হয়ে যাওয়া থেকে চাকরি প্রার্থীর আবেদনকারীরা এলেন শঙ্করের দরবারে। কেবল শিলিগুড়ি এলাকাই নয়, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার থেকেও বহু মানুষ তাঁদের বার্তা নিয়ে এদিন বিধায়কের দরবারয়ে হাজির হন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সরকারে আসার পর আজ, রবিবার প্রথম এই কর্মসূচি শুরু করলেন শংকর ঘোষ। শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দু’ঘন্টা চলল এই দরবার। দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন তাঁদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে শংকরের দরবারে হাজির হয়েছেন। প্রথম দিনই পাহাড়-প্রমাণ অভিযোগ, দাবিদাওয়া জমা পড়ল বিধায়কের কাছে। কেবল অভিযোগই নয়, বিধায়ককে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যও বহু মানুষ হাজির হয়েছিলেন। পদ্মফুল উপহার দেওয়া হয় শংকর ঘোষকে।
বিধায়ক শংকর ঘোষ বলেন, “বিগত ১৫ বছরের শাসন ব্যবস্থায় এই রাজ্যের মানুষকে ন্যায় বিচার দেয়নি। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা অভাব অভিযোগ বর্তমান সরকার দূর করবে, এই কাজই করছি। আমি চেষ্টা করব সমস্যা সমাধানের।”
পুলিশ থেকে শিক্ষক, বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের মানুষ তৃণমূল আমলে বিভিন সময়ে প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগ। বিভিন্ন দপ্তর ঘুরেও কোনও সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ। অভিযোগ জানিয়েও মেলেনি সুরাহা। একসময় গৌতম দেব ‘মেয়রকে বলো’ অনুষ্ঠান করতেন। সেখানেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও সাহায্য মেলেনি! তাঁরা অনেকেই এদিন বিধায়কের দরবারে হাজির হয়েছিলেন। শিলিগুড়ির বাসিন্দা সুবর্ণা সাহা বলেন, “আমার মায়ের নামের জমি হঠাৎই বেদখল হয়ে যায়। এক ব্যক্তিকে ভাড়া দেওয়ার পর পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি সেই জমি অন্য কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে কিনে নিয়েছেন। বহু বছর ধরেই সমস্যায় ভুগছি, গৌতম দেবকেও জানিয়েছিলাম কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। কাজেই শংকর ঘোষকে জানালাম।”
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বাসিন্দা শুভাশিস মান্না বলেন, “কোনওপ্রকার দুর্নীতি না করেও ২০১৬ সালের প্যানেলের সঙ্গে আমাদের চাকরিও চলে গিয়েছে। তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন যোগ্য ব্যক্তিরা চাকরি পাবেন। আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর প্রতিনিধির কাছেই এই সমস্ত বিষয় তুলে ধরতে এসেছি। তিনি কথা দিয়েছেন দ্রুত বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন।” বিধায়ক শংকর ঘোষ বলেন, “বিগত ১৫ বছরের শাসন ব্যবস্থায় এই রাজ্যের মানুষকে ন্যায় বিচার দেয়নি। সাধারণ মানুষের দুঃখ দুর্দশা অভাব অভিযোগ বর্তমান সরকার দূর করবে, এই কাজই করছি। আমি চেষ্টা করব সমস্যা সমাধানের।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন



