Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

হোয়াটসঅ্যাপে মহিলাকে ‘কুপ্রস্তাব’ রানাঘাটের বিজেপি সাংসদের! চ্যাট ভাইরাল হতেই বিতর্ক তুঙ্গে

'গোটা বিষয়টি তৃণমূলের কারসাজি', সাফাই সাংসদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২০, ১৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২০, ১৯:২১

options
link
হোয়াটসঅ্যাপে মহিলাকে ‘কুপ্রস্তাব’ রানাঘাটের বিজেপি সাংসদের! চ্যাট ভাইরাল হতেই বিতর্ক তুঙ্গে zoom

বিপ্লবচন্দ্র দত্ত ও রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল চল্লিশোর্ধ্ব এক মহিলা ও রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) চ্যাট। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে কানাঘুষো। তবে ওই চ্যাটের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন। ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওই সাংসদকে সতর্ক করা হয়েছে। ওনাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।” 

ওই চ্যাট ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে নানারকম মন্তব্য। একাংশের কথায়, সাংসদ জগন্নাথবাবু নাকি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ওই  মহিলার সঙ্গে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি সাংসদের। এমনকী ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনাটি জানিয়ে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেই জানান তিনি। বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক পুলিশ, আমি চাইছি।  আমি সাইবার ক্রাইম থানায়ও অভিযোগ দায়ের করেছি।” তবে এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি সাইবার ক্রাইম থানার আইসি রাজেশ কুমার গুপ্তা। জেলার এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিক মঙ্গলবার সন্ধের পর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “জগন্নাথ সরকার সাইবার ক্রাইম থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার, দফায় দফায় বৃষ্টিতে ভিজছে গোটা বাংলা]

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালিত পুলিশ অভিযোগের কথা স্বীকার করতে চাইছে না। এটা একটা গভীর চক্রান্ত। ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এই বদনাম ছড়ানো হচ্ছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যেতে হবে বলে পুলিশের লোকজন আমার অভিযোগের কথা স্বীকার করছে না।” ভাইরাল মেসেজ প্রসঙ্গে সাংসদ আরও বলেন, “অনেক রকমভাবে আমাকে অপমান অপদস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একাধিক মানুষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান, করেনও। যা তৃণমূলের কাছে গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ একটি সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের লোকজন ফেক চ্যাট ব্যবহার করে আমাকে অপদস্ত করার চেষ্টা করছে।” 

[আরও পড়ুন: লিলুয়ার রেল আবাসনের জীর্ণদশা, সামাজিক দূরত্ব বিসর্জন দিয়ে আবাসিকদের বিক্ষোভ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.