Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
BJP

‘বিষমদে’ মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা সুকান্ত মজুমদারের, রাজ্যের কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি

হাওড়ার ঘুসুড়িতে মদ খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৩ জনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২২, ১৭:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২২, ১৭:০৩

options
link
‘বিষমদে’ মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা সুকান্ত মজুমদারের, রাজ্যের কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাওড়ার ঘুসুড়িতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। ‘বিষমদ’ খেয়ে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। কথা বললেন মৃত ও অসুস্থদের পরিবারের সঙ্গে। সরকারের কাছে প্রত্যেক পরিবারের কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি জানালেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়ার ঘুসুড়ি যায় বিজেপির প্রতিনিধি দল। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘুসুড়িতে মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে মৃতদের বাড়িতে যান তিনি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিজেপি নেতাকে সামনে পেয়ে মদের ঠেক নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের পাশে থাকা আশ্বাস দেন সুকান্ত। ওই এলাকায় দাঁড়িয়েই বিষমদ ইস্যুতে রাজ্যকে তোপ দাগেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: বসিরহাটে বসে উত্তরাখণ্ডের প্রধান বিচারপতির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক, গ্রেপ্তার বাংলার রাজিবুল]

এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মদের টাকা যায় কালীঘাটে। সেই কারণে একের পর এক মদ থেকে মৃত্যু ঘটছে তা সত্বেও প্রশাসন চুপ। পুলিশ সব জেনেও কিছুই করছে না। কারণ পুলিশও কাটমানি পাচ্ছে।” এরপরই রাজ্যের কাছে মৃতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্যের দাবি করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মদ খেয়ে এতগুলো মানুষ মারা গেলেন, পরিবারগুলো অসহায় হয়ে গেল। সরকারের অন্তত ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া উচিত।”

উল্লেখ্য, হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া থানার ঘুসুড়ি এলাকায় বহুদিন ধরেই মদের ঠেক চালাতেন প্রতাপ কর্মকার নামে এক ব্যক্তি। সন্ধে হতেই সেখানে ভিড় জমান এলাকারই প্রচুর শ্রমিক। মঙ্গলবারও তার অন্যথা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, ওইদিন সন্ধেয় ওই ঠেকে মদ খাওয়ার পরই বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের অবস্থার অবনতি হয়। এদিকে একের পর এক বাড়তে থাকে অসুস্থের সংখ্যা। রাতেই অসুস্থদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। গত দু’দিনে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। এখনও হাসপাতালে ভরতি অনেকে।

[আরও পড়ুন: সম্প্রীতির অনন্য নজির নদিয়ায়! মুসলিম প্রতিবেশীদের কাঁধে চেপে শেষযাত্রায় হিন্দু যুবক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.