নন্দন দত্ত, সিউড়ি: তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর সরকারিভাবে রাজ্যের সমস্ত কর্মসূচিতে লেগেছে নীল-সাদার ছোঁয়াচ। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তর বা আবাসনের বাড়ি সব কিছুকেই মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, এই ধারা যে শুধু এরাজ্যে তা নয়। উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে বেশিরভাগ বিজেপি শাসিত রাজ্যে গৈরিকীকরণের অভিযোগও নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবার এই রং বিভ্রাটে আটকে গেল সরকারি প্রকল্পের কাজ। নীল-সাদা রং করায় ঝাড়খণ্ড লাগোয়া ম্যাসাঞ্জোর বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আটকে দিল বিজেপি সমর্থকরা।
[ব্যাংক জালিয়াতি রুখতে নিরাপত্তায় গুরুত্ব জেলা প্রশাসনের]
বীরভূম লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাঞ্জোর ময়ূরাক্ষী নদীর উপর একটি বাঁধটি নির্মাণ করেছিল তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তারপর থেকে বাঁধটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের। সেচ দপ্তরের সিউড়ি শাখা এটির রক্ষণাবেক্ষণ করে। সম্প্রতি, বাঁধটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিল রাজ্য সরকার। এই টাকা খরচ করে বাঁধটির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার শ্যামাপ্রসাদ রায়ের নেতৃত্বে চলছিল বাঁধটিকে রং করার কাজ। রাজ্য সরকারের প্রথা মেনে বাঁধটির রং করা হচ্ছিল নীল-সাদা। আর এতেই আপত্তি জানায় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। একদল বিজেপি সমর্থক গিয়ে বাঁধে রং করার কাজে বাঁধা দেয় বলে অভিযোগ। বিজেপি সমর্থকদের বাঁধায় বাঁধে রং করার কাজ আপাতত স্থগিত। এমনকী, খুলে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববাংলার লোগোও।
[মাত্রারিক্ত ওষুধের জের, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ রোগীর]
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, নীল সাদা রং করে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে দলীয় প্রচার সারতে চাইছে রাজ্যের শাসকদল। বাঁধে নীল সাদার পরিবর্তে গেরুয়া রং করার দাবি জানিয়েছে তারা। তাদের পিছনে ঝাড়খণ্ড সরকারের মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলছে বীরভূম জেলা তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছে, নোংরা রাজনীতি করে সরকারি প্রকল্পের কাজ আটকে দিতে চাইছে বিজেপি।
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?