Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
JP Nadda

‘টোপর পরে বিয়ে করতে এসেছিলাম’, বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্মতা প্রমাণে মরিয়া নাড্ডা

বর্ধমানের সাংবাদিক বৈঠকে নিজের বাঙালি যোগসূত্রের কথা বললেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১, ২১:৩৬

options
link
‘টোপর পরে বিয়ে করতে এসেছিলাম’, বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্মতা প্রমাণে মরিয়া নাড্ডা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াচ্ছে বাঙালি আবেগ। শাসকদলের ‘বাঙালিয়ানা’ বনাম দিল্লির ক্ষমতাসীন দলের ‘অবাঙালি’ সংস্কৃতি নিয়ে জোর তরজা। বিজেপিকে (BJP) বিঁধতে পর্যন্ত এই আবেগকে সুকৌশলে কাজে লাগাচ্ছে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তবে এর জবাব দিতে গিয়ে অবশ্য পিছু হটছেন না বিজেপি নেতারাও। 

বারবারই তৃণমূল নেতাদের গলায় অভিযোগ শোনা গিয়েছে, বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা বাংলার কিছুই বোঝেন না। তাঁরা অবাঙালি, অতএব, বাংলার আবেগ বোধগম্য হওয়া সম্ভব নয়। আর তা না বুঝলে বাংলা শাসনের স্বপ্ন দেখা যায় না। এবার তাঁদেরই জবাব দিতে গিয়ে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা আস্তিন থেকে বের করলেন মোক্ষম তাস। বর্ধমানে সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন, ”টোপর পরে বিয়ে করতে এসেছিলাম, বাংলার সংস্কৃতি আমি ভালই বুঝি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যের কোভিড গ্রাফে সামান্য স্বস্তি, কলকাতাকে পেরিয়ে সংক্রমণের শীর্ষে এই জেলা]

বিধানসভার আগে দিল্লির বিজেপি নেতাদের এ রাজ্যে আনাগোনা লেগেই আছে। শনিবার ঝটিকা সফরেই বর্ধমানে এসেছিলেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। লক্ষ্য, বাংলার কৃষকদের কাছে টানা। মাধুকরীর মতো কাটোয়ার জগদানন্দপুর গ্রামে কৃষক পরিবারগুলি থেকে চাল, আনাজ সংগ্রহ করেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজও করেন কৃষক পরিবারে। মাঝে বর্ধমানের দুটি বিখ্যাত মন্দিরে পুজো দেন। এরপর বর্ধমান (Burdwan) শহরে রোড শো করে সাংবাদিক বৈঠকে বসেন। সেখান থেকেই বাংলার সংস্কৃতি ও বিজেপির মধ্যে ফারাক নিয়ে রাজ্য সরকারের অভিযোগের জবাব দিলেন। বাঙালি স্ত্রীর দৌলতে তিনি যে বঙ্গ সংস্কৃতির সঙ্গে অনেকটাই পরিচিত এবং তাকে আপন করে নিয়েছেন, তা বোঝালেন। স্বভাবতই নাড্ডার স্ত্রীর পূর্বপরিচয় নিয়ে উৎসাহ তৈরি হয় সবমহলেই।

[আরও পড়ুন: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নর]

জানা গিয়েছে, জে পি নাড্ডার স্ত্রীর নাম মল্লিকা। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মুখোপাধ্যায়। সুভাষচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং জয়শ্রী মুখোপাধ্যায় অর্থাৎ মল্লিকাদেবীর বাবা, মা বাংলা ছেড়ে আগেই চলে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে। সেখানেই মল্লিকাদেবীর জন্ম। তবে বাংলার যোগসূত্র ছিন্ন হয়নি পুরোপুরি। তাই জে পি নাড্ডার সঙ্গে বিয়েও হয়েছিল বাঙালি রীতি মেনেই। সে অর্থে নাড্ডা বাংলার ‘জামাই’। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, একুশের বঙ্গ দখলকে পাখির চোখ করে সেই পরিচয়টাকেই এবার কাজে লাগাতে চাইছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। তারই সামান্য এক ইঙ্গিত তিনি দিয়ে রাখলেন সাংবাদিক বৈঠকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.