Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR

একজনের নম্বরে অন্যের নাম-ঠিকানা, উলুবেড়িয়ায় নিজের ইচ্ছেমতো ফর্ম পূরণ করছেন BLO!

ব্য়াপারটা ঠিক কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১৮:২৪

options
link
একজনের নম্বরে অন্যের নাম-ঠিকানা, উলুবেড়িয়ায় নিজের ইচ্ছেমতো ফর্ম পূরণ করছেন BLO! zoom

মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: এনুমারেশন ফর্ম ভোটারদের না দিয়ে ইচ্ছেমতো পূরণ করছেন বিএলও! তাতে একজনের এপিক নম্বরে দিচ্ছেন অন্যজনের ঠিকানা! এমনই ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে বিএলওর বিরুদ্ধে। যার জেরে বিপাকে শ্যামপুর ২ নম্বর ব্লকের শশটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কামিনা ১২২ নম্বর বুথের ভোটাররা। যদিও ব্লক প্রশাসনের বক্তব্য, এটা যান্ত্রিক সমস্যা। ভোটারদের চিন্তার কিছু নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কামিনা ১২২ নম্বর বুথের বিএলও মৃন্ময় পাল। তিনি দিনকয়েক আগে ওই বুথের কিছু ভোটারকে এনুমারেশন ফর্ম দিয়েছেন। অনেকের অভিযোগ, তিনি ফর্ম নিয়ে যাননি। এই অবস্থায় হাসানুজ্জামান খান নামে এক ব্যক্তি অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করার উদ্যোগ নেন। দিন দুয়েকআগে নিজের ফর্ম তিনি পূরণ করে সাবমিট করেন। এরপর যখন তিনি তার বাবা-মা-সহ পরিবারের কয়েকজনের ফর্ম পূরণ করে সাবমিট করতে যান, তখন দেখেন ওয়েবসাইটে দেখাচ্ছে ফর্ম সাবমিট হয়ে গিয়েছে। বিনা মেঘে বজ্রপাতের পরিস্থিতি। তিনি ভাবেন সাবমিট কীভাবে হল? এরপর তিনি দেখতে পান তাদের সাবমিট করা ফর্মে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে তা তাদের পরিবারের কারও নয়।

Advertisement

হাসানুজ্জামান খান বলেন, “আমার বাবা-মা-সহ পাঁচজনের এমন হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি আরও ৩৪ জনের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। সেখানে তাঁদের এপিক কার্ডের নম্বর রয়েছে কিন্তু একাধিক তথ্যে গরমিল। বিষয়টি দেখার পর তিনি বিএলওকে ফোন করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেননি বলেই অভিযোগ। এরপর তিনি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যদিও তাঁকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমস্যা মিটে যাবে। কিন্তু তাতেও স্বস্তি পাচ্ছেন না হাসানুজ্জামান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.