Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

ব্লু হোয়েলের থাবা পশ্চিমবঙ্গেও? আত্মঘাতী মেদিনীপুরের কিশোর

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আনন্দপুর এলাকার ঘটনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ০৬:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ০৬:৫৫

options
link
ব্লু হোয়েলের থাবা পশ্চিমবঙ্গেও? আত্মঘাতী মেদিনীপুরের কিশোর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কি মরণকামড় ‘ব্লু হোয়েল গেমে’র। এবার খাস পশ্চিমবঙ্গের বুকে থাবা বসিয়েছে এই অনলাইন মারণ গেমটি। সূত্রের খবর, ব্লু হোয়েল গেমে অংশ নেওয়ার কারণে শনিবার শ্বাসরোধ করে আত্মঘাতী  হন পশ্চিম মেদিনীপুরের আনন্দপুর এলাকার দশম শ্রেণির ছাত্র অঙ্কন। নীল তিমির নেশায় অঙ্কন নিজেকে শেষ করে দেয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

[স্বাধীনতা দিবসের আগে সোপিয়ানে বড়সড় হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ২ জওয়ান]

মৃত অঙ্কনের বাবা জানিয়েছেন, শনিবার স্কুল থেকে ফেরার পর মা খাওয়ার কথা বললেও অঙ্কন খেতে চায়নি। ওই কিশোর জানিয়েছিল, স্নান করেই সে খাবে। এরপরই বাথরুমে চলে যায় অঙ্কন। কিন্তু অনেকক্ষণ হয়ে গেলেও, ছেলে বেরোচ্ছে না দেখে সন্দেহ হয় অঙ্কনের মা-বাবার। এরপরই ভেঙে ফেলা হয় বাথরুমের দরজা। দেখা যায়, মেঝেতে লুটিয়ে রয়েছে ১৪ বছরের ওই কিশোরের দেহ। মুখ প্লাস্টিকের একটি ব্যাগ দিয়ে মোড়া, গলায় নাইলনের দড়ি বাঁধা। জানা গিয়েছে, ব্লু হোয়েল গেম খেলার জন্যই এমন কাজ করে অঙ্কন। ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। সন্তানের মৃত্যুতে শোকাহত গোটা পরিবার।এর আগে এই অনলাইন গেমের ফাঁদে পড়েই প্রাণ হারিয়েছিল মুম্বইয়ের এক কিশোর। এছাড়া দিনকয়েক আগে ইন্দোরের স্কুলের তিন তলা থেকে ঝাঁপ দিতে গিয়েছিল ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র। তবে বন্ধু ও শিক্ষকদের তৎপরতায় বেঁচে যায় সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ডোকলামের দখল পেতে চিনের হাতিয়ার ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’]

কিন্তু কী এই ব্লু হোয়েল গেম? আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ। কিন্তু খুব সহজেই কাউকে বশীভূত করতে পারে। এমনই একটি অনলাইন গেম ‘কিলার হোয়েল’। মোট ৫০টি চ্যালেঞ্জ। প্রথমে ভোর ৪টেয় কোনও ভয়ের সিনেমা দেখা। তারপর ক্রমে কখনও হাত কেটে ছবি আঁকা এবং সব শেষে ছাদ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করা। এবং সব কিছুই ভিডিও তুলে প্রমাণ হিসেবে পাঠাতে হবে। ইতিমধ্যে ইউরোপ ও রাশিয়ায় মারাত্মক এই গেমের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। তাঁদের বেশিরভাগই কিশোর ও কিশোরী। এই গেমের উৎপত্তি রাশিয়ায়। সেখান থেকে সমস্ত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই গেম। চলতি বছরের শুরুতেই এই গেমটি যিনি তৈরি করেছেন, তাঁকে গ্রেপ্তার করে রুশ পুলিশ। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে গেমটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

[এক ফুট লম্বা আঙুল, গ্রামবাসীদের কাছে ‘শয়তান’ বলে পরিচিত এই কিশোর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.