Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Murshidabad

মেঝেয় পড়ে স্বামীর দেহ, গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন স্ত্রী! দম্পতির রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য জলঙ্গিতে

মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০২৩, ১৪:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০২৩, ১৪:০৫

options
link
মেঝেয় পড়ে স্বামীর দেহ, গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন স্ত্রী! দম্পতির রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য জলঙ্গিতে zoom
Advertisement

অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জলঙ্গিতে স্বামী-স্ত্রীর রহস্যমৃত্যু। বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার দম্পতির দেহ। কিন্তু কী কারণে এই মৃত্যু, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম আলমগীর শেখ। তাঁর বয়স ২৫ বছর। জলি খাতুন (২১)। জানা গিয়েছে, বছর চারেক আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। একটা সন্তানও হয়, যদিও সে বাঁচেনি। তবে দম্পতির মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল না বলেই খবর। মৃত জলির বাবা আজবার আলি জানান, মঙ্গলবার রাত নটা নাগাদও জামাইয়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তবে বুধবার বেলা পর্যন্ত জামাই-মেয়ের সাড়াশব্দ পাচ্ছিলেন না। তাই চিন্তা হওয়ায় স্ত্রীকে দেখতে বলেন। তিনি গ্রিলের ফাঁকা দিয়ে দেখেন, জামাইয়ের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে মেঝেতে। ঝুলছে মেয়ের দেহ। তাই দেখে চিৎকার করে পাড়ার লোককে ডাকেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিচারপতির গাড়িতে সবেগে ধাক্কা নওশাদের স্করপিওর, চালককেও ‘চড়’]

মৃত যুবকের বাবা খালেক শেখ জানান, ছেলে বউ পৃথক বাড়িতে থাকলেও তাঁদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। দম্পতির মধ্যেও কোনও ঝামেলা ছিল না। মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেও তাঁদের কথা হয়েছে। মাঝে ঠিক কী হল, যার জন্য এই ভয়ংকর সিদ্ধান্ত, তা বুঝে উঠতে পারছেন না কেউই। জানা গিয়েছে, আলমগীরের দেহ মেঝেতে পড়ে থাকলেও তাঁর গলায় রয়েছে ফাঁসের চিহ্ন। যা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টা খানিকটা স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় রাস্তায় ফেলে ‘মার’ ৫ তরুণীকে, ১০০ ডায়ালেই ‘প্রাণ রক্ষা’]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.