Advertisement
Advertisement
বোমা বিস্ফোরণ

পরিত্যক্ত ঘরে মজুত বোমায় হাত পড়তেই তীব্র বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল ৩ জনের

রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে এমন ঘটনা বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

Bomb blast at Jalangi,Murshidabad that killed 3 men

ছবি: প্রতীকী

Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:October 29, 2019 9:05 am
  • Updated:October 29, 2019 9:05 am

অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: দীপাবলির উৎসব চলাকালীন বোমা ফেটে তিনজনের মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জলঙ্গির টলটলি এলাকায়। সোমবার সন্ধেবেলা ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে। রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝে পড়ে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। এলাকায় আতঙ্ক রয়েছে এখনও।
পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরেই টলটলি খেয়াঘাটের দখলদারি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল এলাকারই কয়েকজনের মধ্যে। চলতি মাসের ১২ তারিখ দু’পক্ষের মধ্যে এনিয়ে বোমাবাজিও হয়। সেই ঘটনায় গতকালের মৃত তিনজন জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পুলিশের। সোমবারও তেমনই সংঘর্ষের পরিস্থিতি দেখা দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নান্টু মোল্লা, মিন্টু মণ্ডল ও ছবি শেখ নামে তিনজন ফরাজিপাড়ার কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরে জড়ো হন। সেখানে বোমা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়েই আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তিনজনের।

[আরও পড়ুন: আইএস প্রধান বাগদাদির মৃত্যুতে হাসি ফুটল নদিয়ায়]

বিস্ফোরণের খবর পৌঁছয় জলঙ্গি থানায়। খবর পেয়েই জলঙ্গি থানার ওসি উৎপল দাস বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। সেখানে উপস্থিত হন ডোমকলের এসডিপিও সন্দীপ সেনও। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের খণ্ডবিখণ্ড দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত নান্টু, মিন্টু ও ছবির বাড়ি টলটলি এলাকাতেই। জলঙ্গির তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক জানান, খেয়াঘাটের দখলদারি নিয়ে বচসার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, আগের গণ্ডগোলের সময়ে পুলিশ এদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়াতেই এই প্রাণহানির ঘটনা।
তবে এদিনের ঘটনায় মৃত নান্টু মোল্লার স্ত্রীর দাবি, অক্টোবরের গোড়ার দিকে গণ্ডগোলের পর থেকে তাঁর স্বামী বাড়িতে থাকতে পারেননি। ফরাজিপাড়ার ওই পরিত্যক্ত ঘরেই আশ্রয় নিয়েছিল। সোমবার সন্ধেবেলা সেখানে বন্ধুদের সঙ্গে ভাত খেতে বসেছিল নান্টু। বিরোধী গোষ্ঠী সে কথা জানতে পেরে, ওই সময়েই বোমা ছুঁড়ে তাদের খুন করেছে বলে অভিযোগ। নান্টুর স্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছে ঘোষপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য চম্পা বিবি। তিনি জানান, “তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।” ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জলঙ্গি থানা। ওই এলাকায় বোমা বাঁধার কাজ চলছে কি না কিংবা বাইরে থেকে বোমা এনে মজুত করা হচ্ছে কি না. এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অমানবিক! সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে আছড়ে মারল মাসি]

Advertisement

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ