Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nabadwip

জন্মদিনের কেক কিনতে নিয়ে গিয়ে ভাইকে গঙ্গায় ফেলে দিল সৎ দাদা! নবদ্বীপে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি

পুলিশ অভিযুক্ত তরুণের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৫, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৫, ১৭:০৭

options
link
জন্মদিনের কেক কিনতে নিয়ে গিয়ে ভাইকে গঙ্গায় ফেলে দিল সৎ দাদা! নবদ্বীপে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি zoom
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়িতে গিয়েছে পুলিশ। নিজস্ব চিত্র

সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: সৎ দাদাকে বিশ্বাস করে ভাই গিয়েছিল কেক কিনতে। কিন্তু দাদা কেক না কিনে ছোট্ট খুদেকে নিয়ে যায় গঙ্গার ঘাটে। নৌকায় তুলে গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয় পাঁচ বছরের ছোট্ট শিশুকে। এমনই অভিযোগ উঠেছে দাদার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ ঘাট এলাকায়। পুলিশ অভিযুক্ত তরুণের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। আক্রোশ থেকেই কি এই ঘটনা? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, নবদ্বীপের চরব্রহ্মপুর এলাকার বাসিন্দা জয়দেব বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বন্দনা বিশ্বাসের। তাঁর পাঁচ বছরের একটি ছেলে আছে। জানা গিয়েছে, বন্দনা বিশ্বাসের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথমপক্ষের স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি জয়দেবকে বিয়ে করেছিলেন। বন্দনার প্রথমপক্ষের সন্তান ১৯ বছরের সন্তান সুব্রত বিশ্বাস। এদিকে কাজের সূত্রে প্রথম পক্ষের সন্তান সুব্রত বিশ্বাস বাইরে থাকে। গতকাল নবদ্বীপের বাড়িতে মা-ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল সে। গতকাল তার জন্মদিনও ছিল বলে খবর।

Advertisement

জন্মদিনের কেক কিনতে যাওয়ার নাম করে ভাইকে নিয়ে বেরোয় সুব্রত। কিন্তু ভাইকে নিয়ে গঙ্গার ঘাটে চলে যায় সে। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ভাইকে নিয়ে সুব্রত নৌকায় ওঠে। ফেরিঘাট এলাকার কাছেই গঙ্গায় ওই শিশুকে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘাটে উপস্থিত কিছু লোকজনের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরা ওই তরুণকে ধরার জন্য ছুটে যান। কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্ত নৌকা থেকে লাফ মেরে পালিয়ে যায়। তার মুখে মাস্ক থাকায়, ভিড়ের মধ্যে অন্ধকারে মিশে যায়। ফলে তাকে আর ধরতে পারা যায়নি।

শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য গঙ্গায় রাতেই তল্লাশি শুরু হয়। কিন্তু শিশুটি ততক্ষণে জলে ভেসে গিয়েছে। পুলিশও খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে রাত হলেও দুই ছেলে না ফেরায় দুশ্চিন্তা বাড়ে ওই পরিবারে। সুব্রতকে ফোন করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে পরিবারের কাছে ওই দুঃসংবাদ আসে। পরিবারে শোকের ছায়া নামে। কিন্তু কেন এমন করল সে? সৎ ভাইয়ের উপর কি আগে থেকে আক্রোশ জমা হয়েছিল? সেজন্যই কি ভাইকে ‘সরাতে’ বাড়ি এসেছিল সে?

রবিবারও শিশুটির খোঁজে তল্লাশি চলছে। জলের তোড়ে শিশুটি ভেসে গিয়েছে। সেই অনুমান করা হচ্ছে। অভিযুক্তের খোঁজেও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে ওই এলাকায়। বড় ছেলে এই ক্ষতি করবে, বিশ্বাস করতে পারছেন না বন্দনা। সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন জয়দেব বিশ্বাসও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.