সীমান্তে কর্তব্যরত ছিলেন বিএসএফ জওয়ান। সেসময় শুরু হয়েছিল দুর্যোগ। ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে পড়ছিল মুহুর্মুহু বাজ। তবুও কর্তব্যে অবিচল ছিলেন তিনি। সেসময়ই বাজ পড়ে। বজ্রাঘাতে মারা গেলেন জওয়ান। মৃতের নাম বিনীতকুমার দুবে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার মিঠুপুর গ্রামে। দুঃসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার সাধারণ বাসিন্দারাও শোকে ভেঙে পড়েছেন। মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত ওই জওয়ানের সহকর্মীরাও।
জানা গিয়েছে, বছর ৪৬ বয়সী জওয়ান বিনীতকুমার দুবের বাড়ি সুদূর উত্তরপ্রদেশে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বাংলায় কর্মরত ছিলেন। রঘুনাথগঞ্জ থানার মিঠুপুর গ্রামের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তিনি কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি সীমান্তে পাহারা দিচ্ছিলেন। কিছু সময়ের পরেই শুরু হয়েছিল দুর্যোগ। প্রবল ঝড়ের সঙ্গে শুরু হয় বৃষ্টি। দুর্যোগের সঙ্গে মুহুর্মুহু বাজ পড়তে থাকে।
আরও পড়ুন:
দুর্যোগের মধ্যেও তিনি সীমান্তে কর্মে অবিচল ছিলেন। সেসময়ই ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। ৭১ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ১০ পোস্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। তাঁর উপরেই বজ্রাঘাত হয়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েছিলেন তিনি। বিএসএফের অন্যান্য কর্মী, জওয়ানরা তাঁকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত জওয়ান কর্তব্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যেও গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁর পরিবারকেও এই দুঃসংবাদ জানানো হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের আবহ মিঠুপুর এলাকায়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দিন কয়েক ধরেই দুর্যোগের সময় প্রবল বজ্রাঘাত হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান গঙ্গাঘাট থেকে মালদহের পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা একটি যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে চারযাত্রীর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মেদ ঝরাতে কিনোয়া কিনেছেন, অথচ রান্নার পদ্ধতি জানেন না? রইল ৫ সহজ রেসিপি
-
নুনের বদলে সাবান গুঁড়ো! বিহারের স্কুলে মিড-ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৩৪ পড়ুয়া
-
পরিবেশের বন্ধু হতে চান? কেনার বদলে কাগজ-কাপড়ে বানিয়ে নিন রাখি, রইল ৪ অভিনব আইডিয়া
-
শেয়ার বাজারে ভয়? ৫০ লাখের এফডিতে ৫ বছরেই মিলবে বিপুল রিটার্ন!
-
চার্চিলে খেলতে চাইছেন না প্রণয়রা, জামশেদপুর ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন ফুটবলাররা