Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাপিত

মানবিক উদ্যোগ, রোগ মুক্ত করতে ভবঘুরেদের চুল কাটছেন নাপিতরা

মূলত প্রতি মাসের শেষ বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালাচ্ছেন সেলুনকর্মীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৬:৫২

options
link
মানবিক উদ্যোগ, রোগ মুক্ত করতে ভবঘুরেদের চুল কাটছেন নাপিতরা zoom
Advertisement

রিন্টু ব্রহ্ম, কালনা: ওরা মানসিক প্রতিবন্ধী, বোঝে না নিজের ভাল। নেই ঠিকানা, এলোমেলো চেহারা, মাথায় ঝাঁকরা চুল, গাল ভরতি দাড়ি। শরীরে দুর্গন্ধ। কেউ বা ভবঘুরে, কোনও রকমে এদিক-সেদিক হাত পেতে পেট চালায় নিজেদের। রাস্তায় বেরলে এমন অসহায় মানুষেরা অহরহ চোখে পড়ে। কিন্তু সাহায্যের জন্য এগিয়ে যান না কেউই। এমনই অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিল বর্ধমান জেলার সেলুনকর্মীরা।

সময় পেলেই নাপিতেরা সেলুন বন্ধ করে সাইকেলে টুল, আয়না, কাঁচি নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন শহরের আনাচে কানাচে। অসহায়দের খুঁজে বের করে কেটে দিচ্ছেন চুল, দাড়ি, নখ। কেউ ফোন করে খোঁজ দিলেও সেই ঠিকানায় চলে যাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের এই মহান উদ্যোগের প্রশংসা করছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান জেলা নাপিত এবং সেলুনকর্মী সমাজকল্যাণ সোসাইটির সদস্যরা বর্ধমান শহরের রেল স্টেশন, পুরসভা, কোর্ট-সহ জনবহুল এলাকায় পৌঁছে যান। সেখানের ঘোরাফেরা করা ভবঘুরেদের চুল-দাড়ি কেটে দেন। এমনকী প্রয়োজনে সাবান-শ্যাম্পু দিয়ে স্নানও করিয়ে দেন। সংগঠনের সম্পাদক বিধান প্রামাণিক বলেন, “আমরা দেখেছি এই মানুষদের কোনও পরিচয় না থাকায় এদের সাহায্যে কেউ এগিয়ে আসে না। ফলে বহু সময় ধরে চুল, দাঁড়ি না কাটার ফলে তাঁদের মাথায় ও চামড়ায় নানা রোগ দেখা দিতে থাকে। যা অনেক ক্ষেত্রে মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই আমরা সংগঠনের তরফে এই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কেউ খোঁজ দিলেই আমরা চুল কেটে দিয়ে আসছি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত কোচবিহার]

তিনি জানান, তাঁদের সংগঠনে জেলার অনেক নাপিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই এভাবে সমাজ সেবার কাজ করে যাচ্ছেন। যেখানে তাঁরা এই ক্যাম্প চালাচ্ছেন সেখানে নিজেদের ফোন নম্বরও দিয়ে আসছেন। মূলত প্রতি মাসের শেষ বৃহস্পতিবার করে তাঁরা এই শিবির চালাচ্ছেন। সেই সঙ্গে যখনই সময় পাচ্ছেন তখনই বেরিয়ে পরছেন। বর্ধমান শহরের বাসিন্দা দেবব্রত দাস বলেন, “এটি খুবই ভাল উদ্যোগ। এমনই ভাবনা খুবই নতুন। সত্যি ওই মানুষ গুলোর কথা কেউ ভাবে না। খুবই প্রশংসনীয় কাজ।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.