Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

লালন নাম সার্থক, কালীমন্দির গড়তে এগিয়ে এলেন মুসলিম প্রতিনিধি

পথ দেখাল আউশগ্রাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৭, ০৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৭, ০৫:২৯

options
link
লালন নাম সার্থক, কালীমন্দির গড়তে এগিয়ে এলেন মুসলিম প্রতিনিধি zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: সম্প্রীতির অনন্য নজির পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে। গ্রাম রক্ষীবাহিনী থানা চত্বরে কালীপুজো করে আসছে বহুবছর ধরে। আউশগ্রামের ছোড়া পুলিশ ফাঁড়ি এখন স্থানান্তরিত হয়েছে অন্যত্র। ভাঙা পড়েছে পুরনো কালীমন্দির। তবে মাতৃ আরাধনায় বিঘ্ন ঘটাতে দেননি এলাকার এক মুসলিম প্রতিনিধি। আউশগ্রামে নবনির্মিত ছোড়া থানার পাশে নতুন কালীমন্দির নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন মা কালীর ভক্ত লালন শেখ। গেঁড়াই গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী লালন শেখ নিজ খরচে তৈরি করাচ্ছেন কালীমন্দির। অঙ্কটা প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। লালনের এই উদ্যোগে মুগ্ধ আউশগ্রামবাসী।

[কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো: দেবীকে সন্তুষ্ট করতে ভুলেও এই ৩ কাজ করবেন না]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন লালন? এই উদ্যমী বলছেন, “লালন ফকিরের নামে আমার বাব-মা নাম রেখেছিলেন। লালন নামটিই তো সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রতীক। আমি এই আদর্শেই বড় হয়েছি। আমার মনের তৃপ্তির জন্যই মায়ের মন্দির করছি।” লালন শেখের দুই ছেলে, এক মেয়ে। তিনজনেই পড়াশোনা করছে। বড় ছেলে আফজল রহমান ওরফে সঞ্জু বি টেক ছাত্র। তিনি বলেন, “বাবার এই মহৎ কাজে আমরাও গর্বিত। কালীপুজোর সময় খুব আনন্দ হবে।”

[লক্ষ্মীপুজোয় জাগে ‘ভূতের গ্রাম’, সেলফি তোলার হিড়িক নতুন প্রজন্মের]

লালন শেখ বলেন, কালীপুজোর দিনে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। ওদিন এলাকার সকলকে নিয়ে আনন্দোৎসব পালিত হবে। মন্দিরের নির্মাণ কাজ সামান্যই বাকি আছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। আউশগ্রামে দু’টি ব্লক এলাকা নিয়ে আউশগ্রাম থানা ও বিধানসভা এলাকা। আউশগ্রাম থানা এলাকায় রয়েছে দু’টি পুলিশ ফাঁড়ি। একটি গুসকরা। অপরটি ছোড়া ফাঁড়ি। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করার সুবিধায় আউশগ্রাম থানা ভেঙে দুটি থানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী গতবছরে তা জেলা সফরে এসে ঘোষণা করে যান। এরপরেই ছোড়া ফাঁড়ি তুলে দিয়ে ছোড়াকে পৃথক থানা করার সিদ্ধান্ত হয়। ছোড়া ফাঁড়ি যেখানে ছিল, সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নতুন থানাভবন তৈরি হয়েছে। আউশগ্রাম ব্লক তৃণমূল সভাপতি স্থানীয় বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ বলেন, পুরনো পুলিশ ফাঁড়ি উঠে যাওয়ায় পুরানো মন্দির ভাঙা পড়ে। নতুন মন্দির নির্মাণ কীভাবে হবে এনিয়ে সকলেই ভাবছিলেন। তখন লালন নিজে থেকেই প্রস্তাব দেন মায়ের মন্দির তিনি তৈরি করবেন। তারপরই নতুনভাবে নতুন তৈরি হল আউশগ্রামের সম্প্রীতির গল্প।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.