Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Burdwan

পুরোটাই পেপার লেস, পড়ুয়ারা পায় সুষম ব্রেকফাস্ট, ‘মডেল’ স্কুল গড়ে জাতীয় পুরস্কার বর্ধমানের শিক্ষকের

প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী ২০১৬ সালে জেলার সেরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ২০:৪৬

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ২০:৪৬

options
link
পুরোটাই পেপার লেস, পড়ুয়ারা পায় সুষম ব্রেকফাস্ট, ‘মডেল’ স্কুল গড়ে জাতীয় পুরস্কার বর্ধমানের শিক্ষকের zoom
শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরি।
Advertisement

শিক্ষক দিবসে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জাতীয় শিক্ষকের পুরস্কার পাবেন বর্ধমানের শিক্ষক। পুরস্কার পাচ্ছেন শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরি। স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পঠনপাঠন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই স্কুল নজির গড়েছে।

প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী ২০১৬ সালে জেলার সেরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন। ২০২২ সালে পান শিক্ষারত্ন সম্মান। আর এবার পাচ্ছেন জাতীয় পুরস্কার।

প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য-সহ শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় এই স্কুলে এমন কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যা শুধু রাজ্য নয়, দেশের মধ্যেও প্রথম। যেমনটা এই বিদ্যালয়ে রয়েছে নিজস্ব ব্রেকফাস্ট প্রকল্প। সেই খাতে মাসে ৬০০০০ টাকা ব্যয় হয়। যা দেন বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা, প্রধান শিক্ষকের এক বন্ধু। বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ ‘পেপার লেস’। বিদ্যালয় রয়েছে নিজস্ব ‘অ্যাপ’। সেই অ্যাপের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সমস্ত অ্যাক্টিভিটি পরিচালনা হয়। বিদ্যালয়ে রয়েছে এআর/ভিআর (অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটি) প্রযুক্তি। যা দেশে খুব কম স্কুলেই রয়েছে। বিদ্যালয়ে রয়েছে নিজস্ব অনেক পুরস্কার। বিগত কয়েক বছর এই স্কুল ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছে।

Advertisement

প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী ২০১৬ সালে জেলার সেরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন। ২০২২ সালে পান শিক্ষারত্ন সম্মান। আর এবার পাচ্ছেন জাতীয় পুরস্কার। প্রধান শিক্ষক বলেন, “এই পুরস্কার বিদ্যালয়ের সবার কাজের স্বীকৃতি।” তিনি ব্রেকফাস্ট প্রকল্পের জন্য শিক্ষিকা লাবণ্য রায় ও তার বন্ধু চিকিৎসক রাসবিহারী ধোনীকে কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, “বিদ্যালয়ে এই মুহূর্তে শিক্ষক যদি কম থাকে তাতেও বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠান পরিচালনার কোনও সমস্যা নেই। কারণ তাঁরা তাঁদের ই-কনটেন্ট ও প্রযুক্তি তৈরি করে রেখেছেন। পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হওয়ায় পলাশবাবু কৃতজ্ঞতা জানান অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অতনু হাজরা ও শিক্ষক মৃন্ময় মিশ্রকে। তাঁরা স্কুলের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.