Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

প্রায় ১০০ প্রজাতির আম সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

আরও ৩০ প্রজাতির আমের চারা বসানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৮, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৮, ১৪:৪৯

options
link
প্রায় ১০০ প্রজাতির আম সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: আম সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। প্রায় ১০০ প্রজাতির আম গাছ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি খামারে সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে কোহিতুর থেকে আলফানসো, থাইল্যান্ডের পালমা, আলফানসো-সহ বিভিন্ন প্রজাতির সুবর্ণরেখা, চৌসা, দশেরি আমের চারা বসানো হয়েছে৷ লাল, নীল, কালো প্রজাতির আম গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে৷

[সংসারে উচ্ছিষ্ট! বৃদ্ধা মাকে বাসস্ট্যান্ডে ফেলে যাওয়ার চেষ্টা ছেলের]

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রম রিসার্চ অ্যান্ড সিড মাল্টিপ্লিকেশন ফার্মের অধিকর্তা অধ্যাপক জয়প্রকাশ কেশরী জানান, প্রায় তিন বছর আগে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এই আম গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে। দুই পর্যায়ে ৪ ও ৩ বিঘা করে মোট ৭ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে এই আম সংরক্ষণ কেন্দ্র। জয়প্রকাশবাবু বলেন, “দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রজাতির আমের জার্মপ্লাজম কনসারভেটরি গড়ার প্রক্রিয়া চলছে এখানে।” তিনি জানিয়েছেন, এই ৭ বিঘা জমিতে ইতিমধ্যেই ৬০টি বিভিন্ন প্রজাতির আমের চারা বসানো হয়েছে। এক-দুই বছর বয়সী সেগুলি। আরও ৩০টির বেশি প্রজাতির আমের চারা বসানোর প্রক্রিয়া চলছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ধরণের উদ্যোগ প্রথম বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

Advertisement

[বিচ্ছেদ ভুলে সিপিএমেই ফিরতে চলেছেন মজিদ মাস্টার]

মালদহ-মুর্শিদাবাদের মতো আম উৎপাদনকারী জেলাগুলিতে প্রচুর প্রজাতির আম চাষ হয়ে থাকে। তাদের সুখ্যাতিও রয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার একাংশেও বিভিন্ন প্রজাতির আমের চাষ হয়ে থাকে। বিভিন্ন নার্সারি বা ব্যক্তিগত উদ্যোগেও কিছু এলাকায় প্রচুর প্রজাতির আম গাছ রয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে কোনও আম সংরক্ষণ কেন্দ্র নেই। পূর্ণতা পেলে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কেন্দ্রই প্রথম হবে। জানা গিয়েছে,  ব্ল্যাক ম্যাঙ্গো, ব্লু ম্যাঙ্গো, রেড ম্যাঙ্গো-রও চারা বসানো হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ডের পালমা প্রজাতির আমের নাকি ব্যাপক সারা পড়েছে। চাহিদাও ব্যাপক৷ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষিদের স্বার্থের কথা ভেবেই এই কেন্দ্র গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে ধান বীজ উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছে এই কৃষি খামার। পাশাপাশি, আলু বীজ উৎপাদনও করছে তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.