Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

পাত্রী নাবালিকা, রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন বাতিল করল প্রশাসন

বিয়ের কার্ড ছাপিয়ে নিমন্ত্রণ সাড়া, বিপাকে কিশোরীর পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৮, ১৭:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৮, ১৭:২৯

options
link
পাত্রী নাবালিকা, রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন বাতিল করল প্রশাসন zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: পাত্রী সাবালিকা নয়। মেয়ের বিয়ের জন্য রূপশ্রী প্রকল্পে অনুদানের আবেদন করেও মিলল না টাকা। পিছিয়ে গেল নাবালিকার বিয়ে। ঘটনাস্থল বর্ধমানের ভাতার থানার এরুয়া অঞ্চলের মান্দারডিহি গ্রাম। এই গ্রামের বাসিন্দা পেশায় জনমজুর অশোক সাঁতরা। তাঁরই মেয়ের বিয়ের জন্য রূপশ্রী প্রকল্পের টাকার আবেদন করা হয়েছিল। নিমন্ত্রণ থেকে কার্ড ছাপানো। কোনও কিছুই বাকি ছিল না। তবুও বয়সের গেরোয় আটকে গেল বিয়ে। কেন না মেয়ের বয়স ১৮ পেরোয়নি।

[কুসংস্কারের শিকার শিশু, পোড়া চামড়া ব্লেড দিয়ে কেটে নারকেল তেল লাগিয়ে দিল ওঝা]

এই প্রসঙ্গে ভাতারের বিডিও শুভ্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ওই গ্রামের একটি পরিবার মেয়ের বিয়ের জন্য রূপশ্রী প্রকল্পে আবেদন করেছিল। আবেদনপত্রের সঙ্গে থাকা নথি থেকে বোঝা যায় মেয়েটি নাবালিকা। বয়স ১৮ বছরের কম। তাই প্রকল্পের প্রাপ্ত টাকা এখনই তার পরিবারকে দেওয়া যাবে না। পরিবারটিকে বোঝানো হয়েছে, ১৮ না পেরোলে বিয়ের কাজ বন্ধ রাখতে হবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার দুঃস্থ পরিবারের মেয়েদের জন্য রূপশ্রী প্রকল্প চালু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। তার পরে পরেই ওই প্রকল্পে অনুদানের জন্য আবেদনপত্র নেওয়া শুরু করা হয়। সেই সময়ই মেয়ের বিয়ের জন্য আবেদনপত্র জমা করে মান্দারডিহি গ্রামের সাঁতরা পরিবার। নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রকল্পের অনুদানের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে বিয়ের কার্ড, বয়সের শংসাপত্র, আধার কার্ড ইত্যাদি জমা দিতে হয়। আবেদনপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়েই আধিকারিকরা দেখেন, অশোকবাবুর মেয়ে ঋতু সাঁতরা নাবালিকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরে তার ১৮ বছর বয়স হবে। তাই ডিসেম্বরের আগে মেয়ের বিয়ে রীতিমতো বেআইনি। অশোক সাঁতরাকে ভাতার বিডিও অফিসে ডেকে পাঠিয়ে বোঝানো হয়। যতদিন না মেয়ে সাবালিকা হচ্ছে, ততদিন তার বিয়ে দেওয়া যাবে না।

[বনগাঁয় অগ্নিদগ্ধ হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, গ্রেপ্তার স্বামী-শাশুড়ি]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকা মেয়ের বিয়ে দেবেন না অশোক সাঁতরা। ভাতার প্রশাসনিক কার্যালয়ে এই মর্মে রীতিমতো মুচলেকা দিয়েছেন ঋতুর বাবা। আগামী ৫ জুলাই ঋতুর বিয়ের দিন ধার্য হয়েছিল। আউশগ্রামের গেঁড়াই গ্রামের বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে। আপাতত প্রশাসনের আপত্তিতে সেই বিয়ে বন্ধ। এই প্রসঙ্গে অশোকবাবু বলেন, ‘বিয়ে বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়লাম। কিন্তু আমরা সবাই আইন মানতে বাধ্য।’ বিডিও জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে ওই কিশোরীর বিয়ের জন্য রূপশ্রী প্রকল্পের অনুদানের বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.