BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সরকারি ছুটিতেও কাটা হল ক্যাজুয়াল লিভ! ক্ষোভ ক্যানিংয়ের কলেজ অধ্যাপকদের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: February 2, 2020 7:59 pm|    Updated: February 2, 2020 7:59 pm

An Images

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: সরস্বতী পুজোয় সরকারি কর্মীদের টানা তিন দিন ছুটি ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। তারপর শনিবার অর্ধদিবস ছুটি ও রবিবার পুরো দিন ছুটি। সবমিলিয়ে, প্রায় ৫ দিনের লম্বা বিরতি। কিন্তু সরস্বতী পুজোয় ২৯,৩০,৩১ জানুয়ারি ছুটিতে হাজির না থাকায় ক্যাজুয়াল লিভ কাটা গেল অধ্যপকদের। কেন সরকারি নির্দেশ অমান্য করে এমনটা হল, সেই প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদে সরব হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজের অধ্যাপকরা।

জানুয়ারির ২৯ থেকে ফেব্রুয়ারির ২। মাঝে একটি শনিবার, কলেজের কর্মদিবস। প্রায় পাঁচদিনই টানা ছুটি। অথচ সেই সময় কলেজে না গিয়ে বিপাকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। শনিবারও কলেজের স্পোর্টস থাকায় কেউ যাননি কলেজে। রবিবার তাঁরা কলেজে গিয়ে দেখেন, কাটা হয়েছে তাঁদের ছুটি। আর ক্যাজুয়াল লিভ কাটা নিয়ে ক্ষোভ শিক্ষকদের মধ্যে। ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অধ্যাপকদের একাংশ। সরকারি নির্দেশমতো তাঁরা ওই দিনগুলোয় কলেজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁদের দাবি, সরকার সরস্বতী পূজার জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে। ফলে কলেজে যাননি তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ধর্মান্তকরণের পর আদিবাসী তরুণীদের বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ VHP’র বিরুদ্ধে, তুমুল সংঘর্ষ]

কিন্তু কেউ শনিবার, কেউ বা রবিবার কলেজে গিয়ে দেখেন, সই করার খাতায় তাঁদের নামের পাশে লেখা – ক্যাজুয়াল লিভ। অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানিয়ে দেন, ছুটি কাটা হয়েছে। কিন্তু সরকারের ঘোষিত ছুটি কেন ক্যাজুয়াল লিভ হিসেবে কাটা হল? এর উত্তরে অধ্যক্ষ তিলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ”আমরা সর্বসম্মতক্রমে ঠিক করেছিলাম যে ছুটির সময় একদিন করে সবাইকে কলেজে আসতে হবে। সেই সময় যাঁরা কলেজে আসেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” এই কলেজে ছাত্র সংসদ না থাকায় এখানে সরস্বতী পুজো করার জন্য আলাদা করে একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছিল কলেজের পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে। সেই পরিচালন সমিতির তৈরি করে দেওয়া কমিটিই এবছর পুজোর সমস্ত কাজকর্ম দেখভাল করেছিল। তাই শিক্ষকদের অনেকেই কলেজে উপস্থিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু ছুটির মধ্যেও কলেজে আসতে হবে, অধ্যক্ষের এই ফরমান জারির বিরোধিতা করেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: গ্রামবাসী-BSF সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জলঙ্গি, চলল এলোপাথাড়ি গুলি]

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অধ্যাপকের কথায়, ”এর আগেও ২ অক্টোবর গান্ধীর জন্মদিনে আমাদের ছুটি কাটা হয়েছিল। যে বিষয়টি মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর্যন্ত গড়ায়।” তারপরে তখনকার মতো সমস্যা মিটে গেলেও ফের সরকারি ছুটিতে ক্যাজুয়াল লিভ কাটায় ক্ষোভের পরিবেশ অধ্যাপক মহলে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে গোটা বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে,  তিনি পুরো বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement