সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজীব কুমারের খোঁজে কলকাতার পাশাপাশি এবার জেলাতেও হানা দিল সিবিআইয়ের টিম৷ সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে থেকে একইসঙ্গে ৬ জায়গায় কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের খোঁজে তল্লাশি চালালেন তদন্তকারীরা৷ এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের ইবিজা রিসর্টে হানা দেন তাঁরা৷ রিসর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন৷ একই সঙ্গে ৩৪ নম্বর পার্কস্ট্রিটে রাজীব কুমারের যে বাসভবন রয়েছে সেখানেও যান চার সদস্যের একটি সিবিআই টিম৷ এছাড়া রায়চকের একটি রিসর্টেও তল্লাশি করেন তাঁরা৷
[ আরও পড়ুন: বাবুলকে হেনস্তা নিয়ে অমিত শাহকে চিঠিতে নালিশ দিলীপ ঘোষের, পথে নামছে এবিভিপি ]
জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরের রিসর্টে গিয়ে প্রথমেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই অফিসাররা৷ গত কয়েকদিনের মধ্যে রাজীব কুমার নামের কোনও ব্যক্তি ওই রিসর্টে এসেছিলেন কিনা, সেই খোঁজ নেন তাঁরা৷ এরপর রিসর্টের রেজিস্টার দেখেন তদন্তকারীরা৷ এবং যেখানেই তাঁদের সন্দেহ হয়েছে, সেখানেই ঢুকে দেখেন তাঁরা৷ রিসর্টের প্রতিটি অংশে ছানবিন করেন৷ শুক্রবার দুপুরে ৩৪ নম্বর পার্কস্ট্রিটে রাজীবের বাড়িতেও যান সিবিআইয়ের চারজন সদস্য৷ ৮ নম্বর ফ্ল্যাট অর্থাৎ রাজীব কুমার যেখানে থাকেন, সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তল্লাশি চালান তাঁরা৷ সূত্রের খবর, রাজীবের স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা৷ এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে যান৷ এছাড়া একই ভাবে, রায়চকের একটি রিসর্টেও তল্লাশি চালাতে যান সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা৷ সিবিআই সূত্রে খবর, রাজীবের ফোন বন্ধ থাকলেও, তার ঘনিষ্ট লোকজনের ফোনের টাওয়ার লোকেশন ধরেই, বর্তমানে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা৷ এছাড়া বিভিন্ন গোপন সূত্রে যে তথ্য তাঁদের কাছে আসছে, তার ভিত্তিতেও রাজীবের খোঁজ শুরু করেছেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা৷
[ আরও পড়ুন: ‘ব্যথা’ বুঝতে কলকাতায় জার্মান তরুণী, দেবেন উপশমের পরামর্শও ]
উল্লেখ্য, সিবিআইয়ের খোঁজে বুধবারই উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছে সিবিআইয়ের ১২ জন দুঁদে অফিসারের একটি দল৷ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজীব কুমারের সন্ধানে তল্লাশি জোরদার হয়েছে। প্রাক্তন নগরপালের হদিশ পেতে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে সিবিআই টিম হানা দেয়। ১২ জনের একটি দল চারটি ভাগে ভাগ হয়ে তল্লাশি শুরু করে। আলিপুরের আইপিএস মেস, ইএম বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হোটেল, বাদ যায়নি কিছুই। সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় তল্লাশি চালালেও খোঁজ মেলেনি রাজীবের। এরপর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে রাজ্যের ডিজি বীরেন্দ্রর কাছে জানতে চাওয়া হয়, রাজীব কুমার ও তাঁর দেহরক্ষীর অন্য কোনও মোবাইল ফোনের নম্বর রয়েছে কিনা। থাকলে তা সিবিআইকে জানানো হোক। কারণ, শুক্রবার থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। কিন্তু এ বিষয়ে রাজ্যের পক্ষ থেকে সিবিআইকে কিছু জানানো হয়নি। এরই মধ্যে সিবিআইয়ের একটি দল রাজীব কুমারের পার্ক স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে গিয়ে ফের হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে।
সর্বশেষ খবর
-
গুদামে স্তূপাকার ময়লা ফেলার গাড়ি, তবুও বারবার টেন্ডার! বেনজির দুর্নীতিতে চক্ষু চড়কগাছ অগ্নিমিত্রার
-
জল্পনার ঘোলাজল পেরিয়ে মেয়র পদে ইস্তফা ফিরহাদের! ছোট লালবাড়িও হাতছাড়া তৃণমূলের
-
মা ‘আম গাছ’, বাবা ‘শাল’! পরিবারের মৃত সদস্যদের নাম বৃক্ষরোপণ করে জনজাতি সমাজ
-
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ‘গ্যাংস্টার’ মনুর
-
স্বরূপের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই কোণঠাসা শ্রীলেখা! গ্রেপ্তারির পরই ফাঁস টেকনিশিয়ান স্টুডিওর অন্দরের কাহিনি