১৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  বুধবার ১ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ, বীরভূমে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড বিলি ডাকঘরের

Published by: Tanujit Das |    Posted: March 13, 2019 9:34 pm|    Updated: March 14, 2019 9:09 am

 Central don't observe Election Code of Conduct, TMC allege

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: কোনও প্রার্থী বা দলের বিরুদ্ধে নয়, এবার নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল ডাকঘরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও মঙ্গলবার সকালে বাড়ি বাড়ি বিলি করা হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের চিঠি৷ খবর পেয়ে মল্লারপুর ডাকঘরে গিয়ে আপত্তি জানান ময়ূরেশ্বর একনম্বর ব্লকের তৃণমূল কর্মীরা। জেলা পরিষদের উপদেষ্টা ধীরেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এটা আদর্শ নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী।

[বাবুলের ‘সেন-সেশনাল’ টুইটে বিতর্ক, পালটা দিলেন তৃণমূল নেতা ]

ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও গোরাচাঁদ বর্মন বলেন, ‘‘আমি চিঠি বিলি বন্ধ রাখতে বলেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের সাহায্যে চিঠিগুলি সিল করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা আমি উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’’ যদিও ডাকঘরের জেলা সুপার কাশীনাথ ঘোষ বলেন, ‘‘আমার কাছে এই চিঠি বিলি বন্ধের কোনও নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।’’ জেলাশাসক তথা জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মৌমিতা গোদারা বসু জানান, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়ূরেশ্বর বিডিও তাঁকে এবিষয়ে কিছু জানাননি। তবে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এই অভিযোগে মল্লারপুর ডাকঘরের পোস্টমাস্টারকে শোকজ করা হবে। উপযুক্ত উত্তর না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[নাবালিকা ছাত্রীকে বিয়ে, বিপাকে দাঁইহাট পুরসভার সিপিএম কাউন্সিলর]

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিষয়টি নজরে আসে তৃণমূল কর্মীদের৷ তাঁরা দেখেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি দেওয়া আয়ুষ্মান স্বাস্থ্য প্রকল্পের চিঠি বাড়ি বাড়ি বিলি করছে ডাকঘরের পিওন। এরপরই ডাকঘরে গিয়ে অভিযোগ জানান তৃণমূল কর্মীরা৷ কেন কার্ড বিলি করা হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়৷ তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের উপদেষ্টা ধীরেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচন ঘোষনার পর সরকারি প্রকল্পের কোনও চিঠি কেউ বিলি করতে পারে না। এদিকে মল্লারপুর ডাকঘর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ মার্চ ডাকঘর আধিকারিক ওই চিঠি বিলির নির্দেশ দেন। নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে ১০ মার্চ অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যায়। নিয়ম মাফিক সোমবার থাকে এই কার্ডবিলি বন্ধ করা উচিত ছিল। যদিও ডাকঘর সুপার কাশীনাথ ঘোষ বলেন, ‘‘আমি মৌখিক ভাবে শুনেছি। কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবুও আমি আমার উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টা জানতে চেয়েছি।’’

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে