Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

রেশনে কতটা খাদ্যসামগ্রী বিলি উপভোক্তাদের, খোঁজ নেবেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা

কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮, ১৯:২০

options
link
রেশনে কতটা খাদ্যসামগ্রী বিলি উপভোক্তাদের, খোঁজ নেবেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা zoom

ক্ষীরোদদীপ্তি ভট্টাচার্য: জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন প্রকল্প ঘিরে আবারও বিতর্কের মুখে কেন্দ্র। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন প্রকল্পে রেশনে কতটা চাল, গম, চিনি বিলি করা হচ্ছে-তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় গণবন্টন মন্ত্রকের দুই আধিকারিক ও তাদের সঙ্গে থাকা কর্মী-আধিকারিকরা। গণবন্টন মন্ত্রক সূত্রে খবর, সরাসরি উপভোক্তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রকে পাঠাবেন তাঁরা। প্রয়োজনে কথা বলবেন উপভোক্তাদের সঙ্গে। বস্তুত, কেন্দ্রের এমন উদ্যোগকে রাজ্যের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ বলেই মনে করছেন খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের অভিযোগ, ‘নজরদারি’ চালাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। একই অভিমত, খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকেরও। ক্ষুব্ধ খাদ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের উদ্যোগকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “খাদ্য দপ্তরের অনুমোদন ছাড়া রাজ্যের কোনও রেশন দোকানে গিয়ে গণবন্টন ব্যবস্থা তদারকি করা মানা হবে না। রাজ্য এই উদ্যোগকে কোনওভাবেই মানবে না।”

[বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সিভিক ভলানটিয়ার]

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন প্রকল্পের আওতায় রাজ্য দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে। সরকারি তথ্য বলছে, রাজ্যের ৭ কোটি ৯৬ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬১ জন মানুষ ২০,২২৮টি রেশন দোকানের মাধ্যমে জাতীয় খাদ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় এসেছেন। পাশাপাশি সমসংখ্যক উপভোক্তা রয়েছেন রাজ্যের খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায়। কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় পরিবার পিছু ২ টাকা কেজি দরে মাসে ১৫ কেজি চাল এবং ২০ কেজি গম দেওয়া হয়। পরিবার পিছু ৫০০ গ্রাম করে চিনি দেওয়ার কথা থাকলেও গত আট মাস ধরে তা বন্ধ রয়েছে। চিনি কেন বন্ধ রাখা হল? তা নিয়ে অবশ্য কোনও উত্তর মেলেনি কেন্দ্রীয় গণবন্টন মন্ত্রক থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[জঙ্গলে কারা দিচ্ছে আগুন? হাতির চিৎকারে অস্থির এলাকাবাসী]  

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় ২ টাকা কেজি দরে চাল ও গম দেওয়া হয় রাজে্যর উপভোক্তাদের। এই অবস্থায় আচমকা রাজ্যকে না জানিয়ে দুই শীর্ষ আধিকারিককে রাজ্যে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করায় রীতিমতো বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজ্যের পাশাপাশি রেশন ডিলারদের সংগঠনও এই উদ্যোগের সমালোচনায় মুখর হয়েছে। রেশন ডিলার সংগঠনের সভাপতি বিশ্বম্ভর বসু বলেছেন, রাজ্যের অধিকারের হস্তক্ষেপ করছে কেন্দ্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.