শুভদীপ রায়নন্দী, শিলিগুড়ি: কিছুটা হলেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মিটল রাজ্যের অসন্তোষের পর্ব। উত্তরবঙ্গের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান বিনীত যোশী চিঠি দিয়ে সহযোগিতার জন্য মুখ্যসচিবকে ধন্যবাদ জানালেন। তবে ওই চিঠিতেই করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউন আরও একটু ভাল করে মানার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। শনিবার সকালে ফের উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গা পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। শিলিগুড়ির নিয়ন্ত্রিত বাজার পরিদর্শনের পর সোজা কালিম্পংয়ে চলে যান তাঁরা।
বেশ কয়েকদিন আগে এ রাজ্যে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন তাঁরা। শনিবার উত্তরবঙ্গে তৃতীয় দফায় পরিদর্শনে বেরোন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তার আগে শিলিগুড়ির নিয়ন্ত্রিত বাজারে যান তাঁরা। ঘুরে দেখেন গোটা বাজার। ওই বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। লকডাউনে কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন। এছাড়াও নিয়ন্ত্রিত বাজারের জঞ্জাল অপসারণের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেই সময় পরিতোষ সাহা নামে এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, ওই বাজারে জঞ্জাল অপসারণের কাজ ঠিকঠাক হয় না। শুধু তাই নয় করোনা পরিস্থিতির পরেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ব্যবসায়ীর করা প্রতিটি অভিযোগ নথিভুক্ত করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি দেখতে বারাসতে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ কেন্দ্রীয় দলের, জানলেন সমস্ত তথ্য]
এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা কালিম্পংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত কালিম্পংয়ের বাসিন্দার বাড়ির সামনের এলাকা পরিদর্শন করেন তাঁরা। সেখান থেকে বেরিয়ে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলির পরিস্থিতিও সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। দশমাইল ফাটকের করোনা হাসপাতালও ঘুরে দেখেন। দম্বরচকের কাছে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গেও কথা বলেন তাঁরা।
দেখুন ভিডিও:
উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার মুখ্যসচিবকে চিঠি দেন উত্তরবঙ্গের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান বিনীত যোশী। সেই চিঠিতেই সাহায্যের জন্য ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন তিনি। আরও কঠোরভাবে লকডাউন মেনে চলার পরামর্শও দেন।
