কলহার মুখোপাধ্যায়: তিনদিনের টানাপোড়েনের অবসান। অবশেষে বৃহ্স্পতিবার সকালে রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিদর্শন করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কথা বললেন শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। রাজ্যকে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী এরপর কলকাতা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকাও ঘুরে দেখবে এই প্রতিনিধি দল।
সোমবার সকালেই রাজ্যে আসে কেন্দ্রের এই প্রতিনিধি দল। এরপরই চরমে ওঠে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। রাজ্য কোনও রকম সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এরপর মহামারি আইন ও সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে রাজ্যকে প্রতিনিধিদের সাহায্যের আরজি জানায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। অবশেষে কাটে জট। বুধবার বিকেলে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানান যে, সমস্তরকম সহযোগিতা করা হবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে। সাহায্যের আশ্বাস পেয়েই কোন কোন এলাকা পরিদর্শন করতে চান, তা জানিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি দেন ওই প্রতিনিধি দলের প্রধান অপূর্ব চন্দ্র। সেই তালিকার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন শীর্ষ আধিকারিক ও ওই সেন্টারে ভরতি থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গেও।

[আরও পড়ুন: বৃদ্ধার গায়ে জ্বর! করোনার আশঙ্কায় ডায়েরিয়া রোগীকে ফেরাল বেসরকারি হাসপাতাল]
জানা গিয়েছে, এদিনই কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতাল, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, বাজার, সংক্রমিত এলাকা পরিদর্শন করবেন তাঁরা। এরপর যাবেন হাওড়ায়। হাওড়ার সংক্রমিত এলাকা পরিদর্শনের পর তালিকা অনুযায়ী অন্যত্র যাবেন। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না, রোগীরা সমস্ত সুবিধা পাচ্ছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে বলেই সূত্রের খবর।
ছবি: পিন্টু প্রধান
[আরও পড়ুন: বাড়ি বসেই দেখা যাবে বাবু-স্নেহাশিসদের, চিড়িয়াখানার অ্যাপ আনছে বন দপ্তর]
সর্বশেষ খবর
-
‘দেশের হয়ে খেলার খিদে এখনও একই রকম’, লর্ডসে অবসর নিয়ে আবেগঘন চাহাল
-
‘বন্দে মাতরমে’র ১৫০ বছরে অভিনব শ্রদ্ধা, কলকাতার এই পুজোয় এবারের থিম ‘বঙ্গদর্শন’
-
তৃণমূল আমলে ‘ব্রাত্য’ কবি সুকান্ত, ‘আঠারো বছর বয়স’ ফেরানোর আর্জিতে শুভেন্দু সরকারকে চিঠি
-
৫০০ টাকা ধার করে রাতভর পার্টি, একদশক পেরিয়েও নিখোঁজ ‘মুন্নাভাই’ খ্যাত অভিনেতা
-
দিনভর হোয়াটসঅ্যাপে বুঁদ খুদে? নয়া ফিচারে এবার রাশ থাকবে বাবা-মায়ের হাতে!