Advertisement
Advertisement
উপাচার্যকে শোকজ

সমাবর্তনে আমন্ত্রণ নয় কেন? পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শোকজ ধনকড়ের

শোকজের চিঠি পাননি, জানালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

Chancellor Jagdeep Dhankhar sends showcause notice to VC of Cooch Behar University

Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:February 13, 2020 5:14 pm
  • Updated:February 13, 2020 7:49 pm

বিক্রম রায়, কোচবিহার: কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আচার্যকে আমন্ত্রণ নয় কেন? আইনি ব্যাখ্যা চেয়ে উপাচার্যকে শোকজ করলেন জগদীপ ধনকড়। সেই খবর নিজেই টুইট করে জানালেন। পাশাপাশি, প্রোটোকল ভাঙায় উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়ের অপসারণের দাবিও তুললেন। যদিও আচার্যের তরফে কোনও চিঠি পাননি বলে জানিয়েছেন পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। শুক্রবার নির্ধারিত দিনেই হবে সমাবর্তন।

নিয়মানুযায়ী, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের আগে আচার্য তথা রাজ্যপালের সম্মতি নিতে হয়। তাঁর সম্মতি নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান করা সম্ভব। এমনকী, আচার্যের উপস্থিতি ছাড়া সমাবর্তন কার্যত অসম্ভব। কিন্তু পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আমন্ত্রণ পত্রে অতিথি হিসেবে তিন মন্ত্রীর নাম থাকলেও রয়েছে ছিল না আচার্য তথা রাজ্যপালের নাম। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন জগদীপ ধনকড়। বুধবার সকালে টুইট করে উষ্মাও প্রকাশ করেন তিনি। কিন্তু তারপরও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তাঁকে। তবে এক্ষেত্রে অনুমতি তো দূরের কথা, আমন্ত্রণপত্রেও নেই জগদীপ ধনকড়ের নাম।

[আরও পড়ুন: জোর করে কাউকে ধর্মান্তরিত নয়, মালদহের ঘটনায় গেরুয়া শিবিরকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার]

তাই সমাবর্তনের ঠিক আগের দিন আইনি ব্যাখ্যা চেয়ে তিনি শোকজ চিঠি পাঠান উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়কে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আচার্যই আমন্ত্রিত নন কেন? এই প্রশ্নের উত্তর চান ধনকড়।এনিয়ে উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে, বিকেল নাগাদ দেবকুমারবাবু জানান যে তিনি শোকজের কোনও চিঠি পাননি। তাই তার জবাব দেওয়ারও ব্যাপার নেই।

এর আগে যাদবপুর এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও রাজ্যপাল তথা আচার্যের উপস্থিতি ঘিরে তুমুল অশান্তি হয়েছিল। রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করে শিক্ষাক্ষেত্রে আচার্যের ক্ষমতা খর্ব করে রাজ্য সরকার। তারপরেও উপাচার্যদের রাজভবনে বৈঠকে ডাকেন জগদীপ ধনকড়(Jagdeep Dhankhar)। যদিও সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না কেউই। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, রাজ্য সরকারের অনুমতি না থাকায় কোনও উপাচার্যই নাকি রাজভবনের বৈঠকে যাননি। শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের আগুনে ঘৃতাহুতির মতো কাজ করল পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে তাঁর এই পদক্ষেপ।

[আরও পড়ুন: পার্টি অফিস যখন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিনামূল্যে পড়ুয়াদের কম্পিউটার শেখাচ্ছে তৃণমূল]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ