৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: কলেজে ভরতি হতে গিয়েই বচসায় জড়িয়ে পড়লেন পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে আবদুর রহমান। ছেলের অভিযোগে কলেজে ঢুকে অশান্তি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদিয়ার পলাশী কলেজ। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা। পরে অধ্যক্ষের আশ্বাসে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

[আরও পড়ুনস্কুলের শৌচাগারে তালা, পাঁচিল টপকে শৌচ করতে গিয়ে পড়ে হাত ভাঙল পড়ুয়ার]

বুধবার পলাশী কলেজের প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের ভরতির ভেরিফিকেশন ছিল। সেই কারণে বহু পড়ুয়া কলেজে গিয়েছিলেন। দেবগ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান মহিরুদ্দিন শেখের ছেলে আবদুর রহমানও ওইদিন কলেজে যান। অভিযোগ, কলেজে ঢুকেই ছাত্রীদের কটুক্তি করছিল আবদুর। কলেজের পড়ুয়ারা ঘটনার প্রতিবাদ করেন। সেই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে অশান্তি হয়। এরপর ফোন করে বাবাকে ডেকে পাঠান আবদুর। দলবল নিয়ে কলেজে গিয়ে পড়ুয়াদের মারধরের অভিযোগ ওঠে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। এরপরই অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়ে অধ্যক্ষ বসন্ত প্রধানকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। ঘণ্টাখানেক পর অধ্যক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় তাঁরা।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ বসন্ত রায় জানান, “বিষয়টি জানতে পেরেই আমি থানায় খবর দিই। লিখিতভাবে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। আমি সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছি, বাইরে থেকে বেশ কয়েকজন পড়ুয়া কলেজে ঢুকে পড়ুয়াদের মারধর করেছে।” অভিযোগ, গোটা ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন দেবগ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান মহিরুদ্দিন শেখ। এ প্রসঙ্গে মহিরুদ্দিন শেখ বলেন, আমার ছেলে ভরতি হতে গিয়েছিল, “ওরা মেরেছে। ছেলে মার খাচ্ছে খবর পেয়ে আমি ছুটে যাই। আমার ছেলেকে হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হয়েছে।”

[আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি নিয়ে স্কুলে পড়ুয়াদের হাতাহাতি, সামাল দিতে লাঠিচার্জ পুলিশের]

আহত হয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কয়েকজন সদস্য। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে পলাশী কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বলেন, কারণ যাই হোক, বহিরাগত ব্যক্তি কলেজে প্রবেশ করে কীভাবে? এদিনের ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশিত, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং