রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: ঐতিহ্যবাহী হলং বাংলোর অগ্নিকাণ্ড নিয়ে জোর চর্চা চলছে। নিছকই দুর্ঘটনা নাকি অন্তর্ঘাত? তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে জলদাপাড়ায় গিয়ে মুখ্য বনপাল জানালেন, শর্ট সার্কিটেই পুড়ে ছাই হয়েছে হলং বাংলো।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ভিতরে থাকা কাঠের এই বাংলোটিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায় গোটা বাংলো। কীভাবে আগুন লাগলো? ঠিক কী ঘটেছিল ওই রাতে? তা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, ১৫ জুন থেকে তিন মাসের জন্য রাজ্যের সংরক্ষিত সব বনাঞ্চল বন্ধ হয়ে। এই অবস্থায় পর্যটকহীন ছিল আট কামরার দ্বিতল ঐতিহ্য সম্পন্ন বন বাংলোটি। ফলে সেখানে খুব বেশি বিদ্যুতের ব্যবহারও হচ্ছিল না। তাহলে রাতের বজ্রবিদ্যুতের জেরেই শর্ট সার্কিটের ঘটনা হলং বাংলোতে? সত্যি জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করেন রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। বুধবারই কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেন।
[আরও পড়ুন: কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ট্রেনের কামরায় আগুন, আতঙ্ক হায়দরাবাদে]
তার পর বৃহস্পতিবার জলদাপাড়া যান রাজ্যের মুখ্যপাল দেবল রায়। তিনি এদিন জানালেন, শর্ট সার্কিটের কারণেই এই কাণ্ড। তিনি বলেন, “শর্ট সার্কিটের ফলেই আগুন লেগেছে। ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্ৰহ করেছে। এই বাংলো দেখার জন্য তিনজন কর্মী রয়েছে। ঘটনার দিন দু’জন রেঞ্জ অফিসার ছিলেন। তারা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাংলো রক্ষা করতে পারেননি। কারণ, বাংলোর ঘর বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে রেঞ্জ অফিসাররা দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করেন।”
[আরও পড়ুন: পরকীয়ার কাঁটা! সন্দেহের বশে স্ত্রী ও শাশুড়িকে কোপ মেরে ‘আত্মঘাতী’ স্বামী]
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি