Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Hollong Bungalow

কী কারণে মুহূর্তে পুড়ে ছাই হলং বাংলো? জানালেন মুখ্য বনপাল

মঙ্গলবার রাতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে হলং বাংলো।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৪, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৪, ১৬:৫৬

options
link
কী কারণে মুহূর্তে পুড়ে ছাই হলং বাংলো? জানালেন মুখ্য বনপাল zoom
Advertisement

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: ঐতিহ্যবাহী হলং বাংলোর অগ্নিকাণ্ড নিয়ে জোর চর্চা চলছে। নিছকই দুর্ঘটনা নাকি অন্তর্ঘাত? তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে জলদাপাড়ায় গিয়ে মুখ্য বনপাল জানালেন, শর্ট সার্কিটেই পুড়ে ছাই হয়েছে হলং বাংলো।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ভিতরে থাকা কাঠের এই বাংলোটিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায় গোটা বাংলো। কীভাবে আগুন লাগলো? ঠিক কী ঘটেছিল ওই রাতে? তা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, ১৫ জুন থেকে তিন মাসের জন্য রাজ্যের সংরক্ষিত সব বনাঞ্চল বন্ধ হয়ে। এই অবস্থায় পর্যটকহীন ছিল আট কামরার দ্বিতল ঐতিহ্য সম্পন্ন বন বাংলোটি। ফলে সেখানে খুব বেশি বিদ্যুতের ব্যবহারও হচ্ছিল না। তাহলে রাতের বজ্রবিদ্যুতের জেরেই শর্ট সার্কিটের ঘটনা হলং বাংলোতে? সত্যি জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করেন রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। বুধবারই কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ট্রেনের কামরায় আগুন, আতঙ্ক হায়দরাবাদে]

তার পর বৃহস্পতিবার জলদাপাড়া যান রাজ্যের মুখ্যপাল দেবল রায়। তিনি এদিন জানালেন, শর্ট সার্কিটের কারণেই এই কাণ্ড। তিনি বলেন, “শর্ট সার্কিটের ফলেই আগুন লেগেছে। ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্ৰহ করেছে। এই বাংলো দেখার জন্য তিনজন কর্মী রয়েছে। ঘটনার দিন দু’জন রেঞ্জ অফিসার ছিলেন। তারা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাংলো রক্ষা করতে পারেননি। কারণ, বাংলোর ঘর বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে রেঞ্জ অফিসাররা দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করেন।”

[আরও পড়ুন: পরকীয়ার কাঁটা! সন্দেহের বশে স্ত্রী ও শাশুড়িকে কোপ মেরে ‘আত্মঘাতী’ স্বামী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.