সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড (COVID-19) রুখতে রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধের মাঝেই সুখবর। ১৫ জুনের পর থেকে করোনা বিধি মেনে হোটেল, রেস্তরাঁ খোলায় অনুমোদন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে এবং বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনে তবেই তা খোলা যাবে, সে কথাও কড়াভাবে জানিয়ে দিলেন তিনি। ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা হচ্ছে শপিং মলও। বৃহস্পতিবার নবান্নে বণিকসভাগুলির বৈঠকে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে রেস্তরাঁ। এই সময়ের মধ্যে সেখানে গিয়ে খাওয়াদাওয়া সারতে পারবেন ভোজনপ্রেমীরা। তবে শর্ত একটাই, হোটেল, রেস্তরাঁর প্রত্যেক কর্মীর টিকাকরণ বাধ্যতামূলক। তারপরই তাঁদের কাজে লাগানো যাবে। তবে এই ছাড় লাগু হবে ১৫ জুনের পর অর্থাৎ রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ উঠলে।
প্রায় এক মাস হল রাজ্যে করোনার (Coronavirus) সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে চলছে কড়া বিধিনিষেধ। বন্ধ সমস্ত গণপরিবহণ। শপিং মল, ফুড প্লাজা, সিনেমা হল, হোটেল, রেস্তরাঁ (Hotel-Resturants) বন্ধ। তবে হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি থেকে অনলাইন ফুড ডেলিভারির কাজ চলছে। তবে সেখানে গিয়ে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে জারি নিষেধাজ্ঞা। এবার তাতেও ছাড় দেওয়া হল। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা – এই তিনঘণ্টা হোটেল কিংবা রেস্তরাঁয় বসেই খেতে পারবেন মানুষজন। তবে কঠোরভাবে দূরত্ববিধি মানতে হবে। যথাযথভাবে স্যানিটাইজার, মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এদিন রেস্তরাঁ খোলায় অনুমোদন দিয়ে এসব একগুচ্ছ শর্তের কথা মনে করিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর অবশ্যই হোটেল, রেস্তরাঁর কর্মীদের টিকা নিতে হবে। তারপরই কাজে যোগদানের অনুমতি পাবেন তাঁরা। এছাড়া ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে শপিং মলগুলি খোলার ক্ষেত্রেও মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন আদায় করে নেন বণিকসভার সদস্যরা।
[আরও পড়ুন: ‘যশে’র ক্ষত মুছতে সরকারের ‘দুয়ারে ত্রাণ’, ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য দিতে শুরু হল কাজ]
বৃহস্পতিবার করোনা ও যশ পরিস্থিতিতে রাজ্যের বণিকসভাগুলি কীভাবে সাহায্য করবে, তা জানতে সংগঠনগুলির সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আলোচনাতেই উঠে আসে কড়া বিধিনিষেধের জেরে ব্যবসা, বাণিজ্য খানিকটা থিতিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ। এরপর আলোচনাক্রমেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেস্তরাঁ, হোটেল তাহলে নির্দিষ্ট সময় মেনে খোলা হোক। তবে কর্মীদের সকলের টিকাকরণ আবশ্যক। পরিষেবা দিতে হবে নির্দিষ্ট দূরত্ববিধি মেনেই। এরপর বণিকসভার সদস্যরা শপিং মল খোলা নিয়েও তাঁর কাছে অনুমোদন চান। জানান শপিং মলগুলি বড় হওয়ায় দূরত্ববিধি এবং নিয়মকানুন মেনে চলা সহজ। তাই এই পরিস্থিতিতে তা খোলা হলে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করেন তাঁরা। তাতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে শপিং মলও খুলে যাক। এই নতুন ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত রাজ্যবাসী।
[আরও পড়ুন: ‘সাবালকের ব্যর্থতা দেখতে নাবালককে আসতে হয়’, শুভেন্দুর গড়ে দাঁড়িয়ে তোপ অভিষেকের]
সর্বশেষ খবর
-
অভিষেককে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে হবে! মমতার ‘বাঘের মতো’ মন্তব্যকে কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার
-
থানা প্রতি ৫০ হাজার ‘তোলা’, চেম্বারেই ‘বিজনেস ডিল’! শান্তনুর কীর্তি ‘ফাঁস’ ইডির চার্জশিটে
-
আমিরের তৃতীয় বিয়েতে কেন আসেননি দুই প্রাক্তন স্ত্রী রিনা-কিরণ? পরিবারের ‘অন্দর-কেচ্ছা’ ফাঁস বন্ধুর
-
দুর্গাপুজোয় আর নয় রাজনৈতিক দখলদারি! উৎসবের আনন্দ থাকুক সাধারণ মানুষের হাতে
-
মুখ ভরে যাচ্ছে ব্রণ-ছোপে, মেক-আপ শেষে ভিজে অবস্থাতেই স্পঞ্জ তুলে রাখছেন না তো?