Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬
Durga Puja

দুর্গাপুজোয় আর নয় রাজনৈতিক দখলদারি! উৎসবের আনন্দ থাকুক সাধারণ মানুষের হাতে

এই বার্তা বিশেষ কোনও পুজো কমিটির হৃদয়-কম্পনের কারণ হবে না তো?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৫:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৫:৪৮

options
link
দুর্গাপুজোয় আর নয় রাজনৈতিক দখলদারি! উৎসবের আনন্দ থাকুক সাধারণ মানুষের হাতে zoom
প্রতীকী ছবি।

পুজো কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর স্পষ্ট বার্তা: দুর্গাপুজোয় চলবে না রাজনৈতিক দখলদারি।

রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যে-সিদ্ধান্ত অত্যন্ত যুক্তিসম্মত এবং রাজনৈতিক তাৎপর্যে অনস্বীকার্য। তাঁর এই গভীর বার্তাবাহী সিদ্ধান্তটি উঠে এসেছে যে গণতান্ত্রিক প্রত্যয় থেকে- পুজো কমিটিগুলির স্বাধীনতা, স্বাতন্ত্র্য এবং সর্বজনীন চরিত্র অক্ষুণ্ণ থাকুক, উৎসবের উপভোগ ও আনন্দ থাকুক একান্তভাবে সাধারণ মানুষের হাতে, রাজনীতির দখলে নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শমীকের এই সিদ্ধান্ত কতটা সাহসী, সৎ ও সঠিক-সেটা উপলব্ধি করতে বিশেষ প্রেক্ষিতটি মনে রাখা প্রয়োজন। ২০১১-তে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরে, বাংলার, বিশেষ করে কলকাতার বিখ্যাত সর্বজনীন পুজোগুলির দখল নিয়ে নেয় তারা। সর্বজনীন দুর্গাপুজো, কালীপুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী বুননে মিশে যায় তৃণমূলের অনুদান ও তোষণের রাজনীতি। ফলে সর্বজনীন পুজোর প্রসারিত প্রাচুর্য ও প্রভাব তৃণমূলেরই প্রভাব ও পাড়ায় পাড়ায় শক্তিবিস্তারের সহায়ক হয়ে ওঠে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে রাজনৈতিক প্রভাব ও দাপটের নেপথ্য বার্তা।

বিজেপিও সম্ভবত সেই পথেই পা বাড়াতে যাচ্ছিল। দুর্গাপুজো এখনও কয়েক মাস পরে। রাজ্যের পরিবর্তিত শাসক দলের একাংশ ইতোমধ্যেই বিভিন্ন পুজো কমিটির সভাপতি হিসাবে আগ্রহী বিধায়কদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘে এ বছর বড় সাংগঠনিক পরিবর্তন ঘটল। প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে সরিয়ে সেই জায়গায় নবগঠিত কমিটির নেতৃত্বে দমদম উত্তরের বিধায়ক সৌরভ শিকদার।

২০১১-তে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরে, বাংলার, বিশেষ করে কলকাতার বিখ্যাত সর্বজনীন পুজোগুলির দখল নিয়ে নেয় তারা। সর্বজনীন দুর্গাপুজো, কালীপুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী বুননে মিশে যায় তৃণমূলের অনুদান ও তোষণের রাজনীতি।

প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু গ্রেফতার হওয়ার পরে শ্রীভূমির পুজোর বিভিন্ন আলংকারিক পদে এখন বিরাজমান বিজেপির প্রতিনিধিরাই। কিন্তু এ পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। নাটকীয় এবং অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত বাঁক এল যখন কলকাতার কলেজ স্কোয়‍্যারের ঐতিহ্যময় দুর্গাপুজোর চেয়ারম্যান হওয়ার অনুরোধ করা হল স্বয়ং শমীক ভট্টাচার্যকে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সংবাদমাধ্যমে পোস্ট করে সেই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ দর্শালেন। যে-বার্তা তিনি দিয়েছেন- তা হল, পুজো কমিটিগুলিতে শাসক দলের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়কদের ‘অনুপ্রবেশ’-কে সাধারণ মানুষ মনে করতেই পারে রাজনৈতিক দখলদারি। এই তৃণমূলীকরণ থেকে দলকে স্পষ্টতই আলাদা করতে চেয়েছেন শমীক। বলেছেন, বিজেপি পুজো দখল করবে না। যদি স্থানীয় পুজো কমিটি চায়, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ওই কমিটিতে থাকতে পারেন। কিন্তু এক জায়গা থেকে গিয়ে অন্য জায়গায় পুজোর দখল নেওয়া- এসব চলবে না বিজেপিতে থেকে। রাজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্বে যে রদবদল শুরু হয়েছে- এই ঘোষণা সাহসী এবং রাজনৈতিক তাৎপর্যে প্রসারিত, তাতে সন্দেহ নেই। শমীকের এ বার্তা বিশেষ কোনও পুজো কমিটির হৃদয়-কম্পনের কারণ হবে না তো?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.