নিষিদ্ধ সাহিত্য প্রচারের অভিযোগে লেখক, প্রকাশক ও বই বিক্রেতাদের কারাবাস, অর্থদণ্ড, নির্বাসন এমনকী মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত ভোগ করতে হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। জেমস জয়েস, জর্জ অরওয়েল, ভ্লাদিমির নাবোকভ, ডি. এইচ. লরেন্স, সালমান রুশদি, টনি মরিসন, হেনরি মিলার, মায়া অ্যাঞ্জেলু, জে. কে. রাউলিং কাকে ছেড়ে কার কথা বলি! লিখছেন প্রত্যূষা সরকার।
মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারেরও বহু আগ থেকে বই তথা পুঁথি নিষিদ্ধ করার সূচনা। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে চিনের কিন (Qin) রাজবংশীয় সম্রাট কিন শি হুয়াং নির্দেশ দেন রাষ্ট্রের আদর্শের বিরোধিতা করে এমন যে কোনও দার্শনিক ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ ধ্বংস করার জন্য। সরকারি মতাদর্শের বিরোধিতা করা বহু পণ্ডিতও নিপীড়নের শিকার হন। একই ধরনের দমন-পীড়নের নজির প্রাচীন গ্রিস ও রোমেও দেখা যায়, রাজনৈতিক বা ধর্মীয়ভাবে বিতর্কিত লেখাগুলোকে বারবার নিয়ন্ত্রণ ও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আসলে সাহিত্যের ইতিহাস একই সঙ্গে সেন্সরশিপেরও ইতিহাস। সভ্যতার বিভিন্ন পর্যায়ে সরকার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শাসনব্যবস্থা এবং সামাজিক সংগঠনগুলো এমন বহু বই নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে যেগুলো প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, ক্ষমতা কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে, অবিচারকে উন্মোচিত করেছে, যৌনতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছে অথবা বিপ্লবের দরজা খুলে দিয়েছে। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে অনেক নিষিদ্ধ বই টিকে গিয়েছে নিষিদ্ধ হওয়ার কারণেই। সেন্সরশিপ বহু সাহিত্যকর্মকে প্রতিরোধ, বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রতীকে পরিণত করেছে।
সালমান রুশদির “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” হোক কিংবা থমাস পাইনের “এজ অব রিজন”, রিচার্ড ডকিন্সের “দ্য গড ডিলিউশন” কিংবা এই বাংলায় সমরেশ বসুর “প্রজাপতি” থেকে বুদ্ধদেব বসুর “রাত ভরে বৃষ্টি” হয়ে তসলিমা নাসরিনের “লজ্জা”।
অনেক সময় শাসকগোষ্ঠী বা ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ জনসমক্ষে বই পুড়িয়ে তাঁদের মতাদর্শের বিরোধী চিন্তাকে ধ্বংস করার প্রতীকী প্রদর্শন করেছে? ১৯৩৩ সালে নাৎসি জার্মানির বই পোড়ানোর ঘটনা এর অন্যতম উদাহরণ। ‘নিষিদ্ধ’ বই গ্রন্থাগার, বইয়ের দোকান এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত বা শাসকবিরোধী বই মুদ্রণ ও প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। অনেক লেখক বাধ্য হয়েছেন ছদ্মনামে লিখতে বা গোপন উপায়ে তাঁদের লেখা প্রকাশ করতেন।
নিষিদ্ধ সাহিত্য প্রচারের অভিযোগে লেখক, প্রকাশক ও বই বিক্রেতাদের কারাবাস, অর্থদণ্ড, নির্বাসন এমনকী মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত ভোগ করতে হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। জেমস জয়েস, জর্জ অরওয়েল, ভ্লাদিমির নাবোকভ, ডি. এইচ. লরেন্স, সালমান রুশদি, টনি মরিসন, হেনরি মিলার, মায়া অ্যাঞ্জেলু, জে. কে. রাউলিং কাকে ছেড়ে কার কথা বলি! ইতিহাস সাক্ষী, বই কেবল জ্ঞান বা সাহিত্যের বাহক নয়, অনেক সময় তা ক্ষমতা কাঠামোকে প্রশ্ন করেছে, প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাসকে নাড়া দিয়েছে এবং সমাজের অস্বস্তিকর সত্যকে সামনে এনেছে। আর সেই কারণেই নানা সময়ে সরকার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষের চক্ষুশূল হয়েছে অসংখ্য গ্রন্থ।
সালমান রুশদির “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” হোক কিংবা থমাস পাইনের “এজ অব রিজন”, রিচার্ড ডকিন্সের “দ্য গড ডিলিউশন” কিংবা এই বাংলায় সমরেশ বসুর “প্রজাপতি” থেকে বুদ্ধদেব বসুর “রাত ভরে বৃষ্টি” হয়ে তসলিমা নাসরিনের “লজ্জা”। সাহিত্যের ইতিহাসে এই বইগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ধর্মীয় অনুভূতি, যৌনতা থেকে বদ্ধ সামাজিক পরিকাঠামো— বিতর্কের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থান করেছে। একইভাবে বিতর্কিত হন তসলিমা নাসরিন। বলা বাহুল্য, বাংলা সাহিত্যে তসলিমা এক আগুনের নাম। লেখিকার কলম বারবার প্রশ্ন তুলেছে পুরুষতন্ত্র, ধর্মীয় রক্ষণশীলতা এবং প্রচলিত সমাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে।
তসলিমার উপন্যাস, আত্মজীবনী এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বারবার উঠে এসেছে নারী-পুরুষের অসম ক্ষমতার সম্পর্ক, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং সামাজিক বৈষম্যের প্রসঙ্গ। বিশেষত “দ্বিখণ্ডিত”, “আমার মেয়েবেলা”, “উতল হাওয়া” কিংবা তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এমন এক সমাজের ছবি এঁকেছেন, যেখানে নারীর স্বাধীনতা পুরুষের ইচ্ছা, পরিবার বা ধর্মীয় অনুশাসনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ফলে তাঁর লেখাকে কেউ দেখেছেন নারীমুক্তির সংগ্রামের ভাষা হিসেবে, আবার কেউ মনে করেছেন সেখানে পুরুষদের প্রতি একপাক্ষিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে। তসলিমার লেখালেখির কেন্দ্রে রয়েছে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার সমালোচনা। আত্মজীবনীমূলক রচনা থেকে শুরু করে উপন্যাস, প্রবন্ধ কিংবা ব্যক্তিগত কলামে তিনি তুলে ধরেছেন নারীর ওপর সামাজিক, পারিবারিক এবং সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণের নানান অভিজ্ঞতা।
১৯৯২ সালে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে তসলিমা লিখেছিলেন তাঁর অত্যন্ত সমালোচিত উপন্যাস “লজ্জা”।
তসলিমার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আপসহীন ভাষা। তাঁর মতে, পৃথিবীর অধিকাংশ সমাজব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে এমনভাবে গড়ে উঠেছে, যেখানে পুরুষের কর্তৃত্বকে স্বাভাবিক এবং নারীর অধীনতাকে নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব থেকেছেন। সমর্থকদের মতে, তাঁর সমালোচনা ধর্মের অনুসারীদের বিরুদ্ধে নয়, বরং বৈষম্যমূলক সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে। যৌনতা, সম্পর্ক এবং নারী-পুরুষের সামাজিক ভূমিকা নিয়ে তাঁর অকপট মন্তব্যও বহু বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফলে তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন, নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে উচ্চারিত তীব্র প্রতিবাদকে কি সমালোচনা বলা হবে, না কি তা বিদ্বেষ হিসেবে বিবেচিত হবে? এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোনও উত্তর নেই। তবে এটুকু নিশ্চিত, তসলিমার সাহিত্য ও ব্যক্তিগত অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ, ধর্ম, লিঙ্গ-রাজনীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান আলোচনাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় (আমেরিকার সপ্তম-প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান)-এর সহকারী অধ্যাপক জনাথন ই. কলিন্স তাঁর গবেষণামূলক প্রবন্ধ “পলিসি সলিউশনস: হোয়াট শুড উই মেক অব বুক ব্যানস?”-এ উল্লেখ করেছেন, কোনও বই নিষিদ্ধ করার প্রশ্নে সাধারণত দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়— ঘৃণাত্মক বক্তব্য (hate speech) এবং অশ্লীলতা (obscenity)। তবে তিনি এও বলেন, কেবল এই উপাদানগুলোর উপস্থিতি বিচার করাই যথেষ্ট নয়; একটা বইয়ের সামাজিক গুরুত্ব, বৌদ্ধিক অবদান এবং পাঠকের ওপর তার সম্ভাব্য প্রভাবও সমানভাবে বিবেচনা করা জরুরি। অর্থাৎ, কোনও গ্রন্থকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তার বিতর্কিত বিষয়বস্তুর পাশাপাশি সমাজে তার সাংস্কৃতিক ও চিন্তাগত ভূমিকার দিকেও নজর দেওয়া উচিৎ। অথচ তার প্রয়োগ হচ্ছে কোথায়!
১৯৯২ সালে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে তসলিমা লিখেছিলেন তাঁর অত্যন্ত সমালোচিত উপন্যাস “লজ্জা”। এর মূল বিষয়বস্তু ছিল ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন এবং একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের বিপর্যয়। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ধর্মনিরপেক্ষ দত্ত পরিবার, বাবা সুধাময়, মা কিরণময়ী, ছেলে সুরঞ্জন এবং মেয়ে নীলাঞ্জনা। এই উপন্যাসে মূলত উঠে আসে সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু দ্বন্দ্বের নির্মম রূপ এবং ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রকাশের পর এই বইটিকে বাংলাদেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং পরবর্তীতে ফতোয়া জারি করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয় লেখিকাকে।
সাম্প্রতিক অতীতেও ব্যান কালচার দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে সাহিত্য ও শিল্পকলা ক্ষেত্রে “ব্যান” শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন কবি, সাহিত্যিক চিত্রপরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী বোধহয় নেই।
এরপর আমেরিকা ও ইউরোপে কয়েক বছর কাটানোর পর ২০০৪ সালে তসলিমা কলকাতায় এসে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তাঁর জীবনে শুরু হয় আর এক অধ্যায়। তসলিমার লেখা “দ্বিখণ্ডিত” উপন্যাসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। মৌলবাদী শক্তির আগ্রাসন ও তীব্র অশান্তি সামলাতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারকে আধাসেনা পর্যন্ত নামাতে হয়েছে। কলকাতায় উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলির ব্যাপক হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে তাঁকে শহর ছাড়তে একরকম বাধ্য করা হয়। সেই সময় অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি ফোরামের ছত্রছায়ায় কয়েকজন প্রতিবাদকারী তসলিমাকে কলকাতায় থাকতে না দেওয়ার দাবিতে মধ্য কলকাতা অঞ্চলের একটি বড় অংশ অবরোধ করে, ইচ্ছাকৃত হিংসাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এরপর তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে তাঁকে রাজ্য ছাড়ার নির্দেশ দেন। ফলে বাংলাদেশের পর ‘সংস্কৃতির শহর’ কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে বাধ্য হন লেখিকা।
সাম্প্রতিক অতীতেও ব্যান কালচার দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে সাহিত্য ও শিল্পকলা ক্ষেত্রে “ব্যান” শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন কবি, সাহিত্যিক চিত্রপরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী বোধহয় নেই। যদিও পালাবদলের পশ্চিমবঙ্গে আশার আলো দেখছেন অনেকেই। সেই আলোর উজ্জ্বলতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দল একটি খবর— ২০ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে তসলিমার প্রত্যাবর্তন। তসলিমার সোশাল মিডিয়া পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ কলকাতার রবীন্দ্রসদন প্রেক্ষাগৃহ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান, যার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তাঁর কবিতা, গান, সাহিত্যকর্ম দিয়েই সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত থাকবেন ১ আগস্টের অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা মোহিত রায় জানিয়েছেন, তসলিমা নাসরিনের পশ্চিমবঙ্গে আসার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনও আইনি বাধা নেই। তাঁর মতে, বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলেছে। কলকাতার সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে তসলিমাকে পুনরায় স্বাগত জানানোর উপযুক্ত সময় এসেছে। অর্থাৎ আঁতে ঘা লাগলেই নিষিদ্ধ বলে দাগিয়ে দেওয়ার অভ্যেস এবার ভুলে যেতে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রথের পুণ্য তিথিতে খুঁটিপুজো, এবার ডবল সপ্তমী, দুর্গাপুজোর আর কতদিন?
-
ট্রাম্প নয়, জিনপিংকেই বেশি বিশ্বাস করে বিশ্ব! ভারতে কার জনপ্রিয়তা বেশি?
-
শ্বশুরবাড়িতে বসে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! মুর্শিদাবাদের রঘুনাথপুরে বাংলাদেশি জামাইকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ইডির
-
৫ মাস আগে হারিয়েছে মেয়ে, ফেরানোর কাতর আর্জি নিয়ে মন্ত্রী জগন্নাথের দরবারে বৃদ্ধ বাবা
-
কলকাতা লিগের সূচি নিয়ে নতুন বিতর্ক, আইএফএ-কে কড়া বার্তা মোহনবাগানের