Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

রুপোর হার গিলে বিপাকে শিশু, অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামোই নেই হাসপাতালে!

কালনা মহকুমা হাসপাতালের বেহাল পরিকাঠামো প্রকাশ্যে আনল এই ঘটনা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৭, ০৪:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৭, ০৪:২৪

options
link
রুপোর হার গিলে বিপাকে শিশু, অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামোই নেই হাসপাতালে! zoom

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান : মহকুমা হাসপাতাল৷ সম্প্রতি আবার তা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেও উন্নীত হয়েছে৷ কিন্তু সেখানে শিশুদের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাই নেই৷ শুধু অস্ত্রোপচার নয়, শিশুদের ভর্তি রেখে চিকিৎসারও ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ৷ খেলতে খেলতে গলার রুপোর হার খেয়ে ফেলা শিশুকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এলেও সেই হার বের করতে পারল না কালনা মহকুমা হাসপাতাল। কয়েকঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর ‘রেফার’ করে দেওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে৷ কালনা মহকুমা হাসপাতালের বেহাল পরিকাঠামো প্রকাশ্যে আনল এই ঘটনা৷ যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, সীমিত পরিকাঠামোয় ওই জটিল অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি না নিয়েও তাকে রেফার করা হয়েছে৷

[অবশেষে জটিল অস্ত্রোপচার সফল পুরুলিয়ার নির্যাতিতা শিশুর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নাদনঘাট থানার সমুদ্রগড় নিমতলার গোপালপুরের বাসিন্দা সুশান্ত ঘোষ ও শোভনা ঘোষ৷ তাঁদের সাত বছরের ছেলে সুহান ঘোষ৷ স্থানীয় একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্র সুহান৷ সোমবার সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে মা ছেলের স্নানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন৷ ছোট্ট ছেলেটি আপন মনে খেলছিল৷ স্নানের জন্য মা ডাকতেই সে প্রথমে বলে, ‘আঙুল খেয়ে ফেলেছি৷’ মায়ের মন৷ ছেলের দু’হাত মেলে ধরে দেখেন না, দিব্যি রয়েছে দশটি আঙুল৷ মা বকা দেন, ‘দুষ্টুমি হচ্ছে৷’ তখন ছেলে বলে, হার খেয়ে ফেলেছে৷ সুহানকে প্রথমে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তার পর পরিচিত পরিজনদের পরামর্শ মেনে একদিন অপেক্ষা করেন তাঁরা৷ প্রচুর কলা খাওয়ানো হয়৷ যাতে পরদিন মলদ্বার দিয়ে হারটা বেরিয়ে যায়৷ কিন্তু মঙ্গলবার তা হয়নি৷ দুপুরের দিকে সুহানের শরীরে অস্বস্তি হতে থাকে৷ বমি ভাবও দেখা দেয়৷ সঙ্গে সঙ্গে তাকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা করে পর্যবেক্ষণ বিভাগে রাখেন৷ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁরা দেখেন পেটের ভিতরে রয়েছে হারটি৷

[রাজ্যে প্রবেশ ১২ জেহাদির, গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্য]

হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বরাই বলেন, “পেটে হারটি রয়েছে৷ তা বের করার মতো পরিকাঠামো এই হাসপাতালে না থাকায় আমরা কোনও ঝুঁকি নিইনি৷ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ওই শিশুটিকে৷” সুপার স্বীকার করেছেন, শিশুদের অস্ত্রোপচার করার মতো পরিকাঠামো না থাকার কথা৷ কিছুদিন আগেই এই হাসপাতাল সুপার স্পেশালিটি হয়েছে৷ এই প্রসঙ্গে সুপার বলেন, “সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আউটডোর চালু হয়েছে৷ ইনডোর বিভাগ এখনও চালু হয়নি৷ শুধু এই ঘটনাই নয়, সামান্য জ্বরে আক্রান্ত শিশুকে ভর্তি রাখার মতো পরিকাঠামো নেই এই হাসপাতালে৷ এমনটাই অভিযোগ৷ কালনা-২ ব্লকের নান্দাই গাবতলার বাসিন্দা প্রীতম গোস্বামী তিনদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷ জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে দেখার পর চাইল্ড স্পেশালিটি নেই বলে জানান৷ প্রীতমকে ভর্তি করার পরামর্শ দেন৷ কিন্তু শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় সেই ঝুঁকি নেয়নি প্রীতমের পরিবার৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.