Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Chinsurah

মায়ের মদতে নাবালিকাকে ধর্ষণ সৎ বাবার! গর্ভবতীর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্টের পর যাবজ্জীবন দম্পতির

সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে গত ১২ জুন চুঁচুড়ার পকসো আদালতের বিচারপতি চন্দ্রপ্রভা চক্রবর্তী দু'জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেন। এ দিন তাদের সাজা ঘোষণা হয়।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৮:০০

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৮:০০

options
link
মায়ের মদতে নাবালিকাকে ধর্ষণ সৎ বাবার! গর্ভবতীর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্টের পর যাবজ্জীবন দম্পতির zoom
ফাইল ছবি।

লাগাতার যৌন নির্যাতন সৎ বাবার। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা। করা হয় গর্ভপাত। ফের চলে অত্যাচার। তার জেরে আবারও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নির্যাতিতা। এই পাশবিক নির্যাতন চলত নিজের মায়ের মদতেই। অপরাধ অস্বীকার করায় ভ্রূণের ডিএনএ নমুনাই ধরিয়ে দিল সৎ বাবাকে। এই ঘটনায় বাবা-মা দু’জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল চুঁচুড়ার পকসো আদালত।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় আলাদা থাকতে শুরু করেন সাজাপ্রাপ্ত মহিলা। রবীন্দ্রনগর এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে এক প্রৌঢ়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন তিনি। সঙ্গে ছিল মেয়ে। সেই সময় নির্যাতিতার বয়স ১২ বছর। সেখানেই সৎ মেয়েকে ভয় দেখিয়ে অত্যাচার চালান সৎ বাবা। নাবালিকা তার মাকে এ বিষয়ে জানালে, মা তাকে চুপ থাকতে বলেন। করেন মারধরও। এরপর যৌন নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। কয়েকবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে নাবালিকা। তার গর্ভপাত করায় নিজের মা। এরপরও থামেনি নির্যাতন। আবারও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২০ সালের ২৪ এপ্রিল রাতে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ঘরের বাইরে বেরিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে নাবালিকা। বাড়ির মালিক সবটা জানতে চান। এরপরই মায়ের মদতে সৎ বাবা ধর্ষণ করেছে, এই বলে চুঁচুড়া মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকা। নির্যাতিতা অভিযোগ দায়েরের সময় অন্তঃসত্ত্বা থাকায় হাসপাতালে তার গর্ভপাত করানো হয়। সরকারি আইনজীবী সাবিনা বেগম, হুগলির মুখ্য সরকারি আইনজীবী শংকর গঙ্গোপাধ্যায় জানান, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪/৩২৩/৩৪ ধারা ও পকসো আইনে মামলা রুজু হয়। নির্যাতিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তদন্তকারী অফিসার ৩৭৬(২)(এফ) (এম) এবং ১০৯ ও পকসো আইনের ৪ ও ৬ ধারা যুক্ত করার জন্য আবেদন জানান।

নির্যাতিতার সৎ বাবা অভিযোগ মানতে নারাজ ছিলেন। আদালতের নির্দেশে কলকাতায় ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ হয় অভিযুক্ত সৎ বাবার ‘কীর্তি’। ২০২০ সালের ১৫ জুন অভিযুক্ত দু’জনের বিরুদ্ধেই চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। মামলায় মোট ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে গত ১২ জুন চুঁচুড়ার পকসো আদালতের বিচারপতি চন্দ্রপ্রভা চক্রবর্তী দু’জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেন। এ দিন তাদের সাজা ঘোষণা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.