Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
marijuana

ভেস্তে গেল পাচারের ছক, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার ৩০১ কেজি গাঁজা , ধৃত চার

তদন্ত শুরু করল গোয়েন্দারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২১, ০৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২১, ০৯:০১

options
link
ভেস্তে গেল পাচারের ছক, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার ৩০১ কেজি গাঁজা , ধৃত চার zoom
প্রতীকী ছবি।

গোবিন্দ রায়: সিআইডির তৎপরতায় ভেস্তে গেল মাদক পাচারের ছক। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ গাঁজা (Marijuana) । সঙ্গে গ্রেপ্তার হল পাচারকারী গ্যাংয়ের চার সদস্য। মাদকবিরোধী এই অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল সিআইডি (CID)।

নির্দিষ্ট সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার গভীররাতে ব্যারাকপুরের জগদ্দল থানা এলাকার কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে অভিযান চালায় সিআইডি। সেই অভিযানে ৩০১ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় চারজনকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভালবাসার দাম দাও’, ব্যানার হাতে বেলদায় প্রেমিকার বাড়ির সামনে ধরনা বর্ধমানের যুবকের]

সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম করুণা কারা বাগ, সঞ্জিত বিশ্বাস, সন্তোষ সিং ও আকাশ সাঁতরা। এরা ওড়িশার বলাঙ্গির, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জগদ্দল, বিজপুর ও নদিয়া জেলার কল্যাণী সীমান্তের বাসিন্দা। ধৃতদের শনিবার ব্যারাকপুরের স্পেশ্যাল এনডিপিএস (নারকোটিক ড্রাগস এবং সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যানসেস) আদালতে পেশ করা হলে আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান সরকারি কৌঁসুলি অশোক সিনহা রায়। তিনি জানান, “এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে আনা হচ্ছিল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার হদিশ পেতেই ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন।”

সিআইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রের খবর পেয়ে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের রোহুতা-মনসাতলা ক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সিআইডির নারকোটিক্স শাখার আধিকারিকরা। মাঝরাতে একটি পণ্য বোঝাই ট্রাক আসতে দেখে সন্দেহ হয় তাঁদের। সন্দেহভাজন ট্রাকটি আটক করেন তাঁরা। তল্লাশি চালিয়ে ৩০১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে আসছিল, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল ধৃতরা, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে গোয়েন্দরা।

[আরও পড়ুন: ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ যুব তৃণমূল নেতা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভরতি কলকাতার হাসপাতালে]

প্রসঙ্গত, মাদক পাচারের সেফ করিডোর হিসেবে বরাবরই কলকাতা ও শহরতলি এলাকাকেক ব্যবহার করা হয়। এই এলাকা থেকেই সংলগ্ন জেলা ও রাজ্যগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে মাদকের জাল। কিন্তু এবার সিআইডির তৎপরতায় ভেস্তে গেল সেই পাচারের ছক। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.