২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: শিক্ষাঙ্গনে এবার হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন শিক্ষক-অভিভাবকরা। অশান্তি থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন অপর এক শিক্ষিকা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রায়গঞ্জের সিজগ্রাম নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় চত্বর। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ২ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। 

[আরও পড়ুন: শিশুকে গাড়িতে রেখে দিঘায় জলকেলিতে ব্যস্ত বাবা-মা, দম্পতিকে গণধোলাই স্থানীয়দের]

স্থানীয় সূত্রের খবর, সিজগ্রাম প্রাথমিক স্কুলে কর্মরত শিক্ষিকা মালা রবিদাসকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, গত বছর সিজগ্রাম স্কুল থেকে বদলি হয়ে রায়পুর প্রাথমিক স্কুলে যোগদান করেন মালাদেবীর স্বামী সুজয় ভদ্র। রায়পুর স্কুল থেকে বদলি হয়ে সিজগ্রাম স্কুলে যান মালাদেবী। অভিযোগ, স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই উপস্থিতি অনিয়মিত ছিল মালাদেবীর। প্রতিদিনই নির্দিষ্ট সময়ের থেকে অনেকটা দেরিতে স্কুলে যেতেন তিনি। ফিরতেও সময়ের আগেই। ঘটনার প্রতিবাদ করতেই বিভিন্নভাবে অশান্তি তৈরি করতেন ওই শিক্ষিকা। এই নিয়ে শিক্ষিকা ও পড়ুয়াদের মধ্যে ক্ষোভ ছিলই। পরে বুধবার দুপুরে মালাদেবী ও সুজয়বাবু স্কুলে গেলেই তাঁদের বাধা দেয় অভিভাবকেরা। মালাদেবীকে অন্য স্কুলে বদলির দাবি তোলেন তাঁরা।

গ্রামবাসীদের সরিয়ে সুজয়বাবু তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে স্কুলে ঢোকার চেষ্টা করতেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। তাঁদের বাধা দিতে যান রেখা রায় অধিকারী নামে এক শিক্ষিকা। অভিযোগ, সেই সময় ওই শিক্ষিকাকে বেধড়ক মারধর করেন সুজয় ভদ্র। এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রীকে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অভিযুক্তদের। এরপর পুলিশের তরফেই আক্রান্ত শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ হাসপাতালে ভরতি করা হয়। রায়গঞ্জ পূর্ব সার্কেলের এসআই রাকেশ দেবনাথ জানান, “শিক্ষক সুজয় ভদ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হবে।”  ইতিমধ্যেই ওই স্কুলের তরফে অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত শিক্ষকের কথায়, “আমি স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম, সেই সময় গ্রামবাসীরা আমার স্ত্রীকে মারধর করে, জামা ছিঁড়ে দেন। আমি শুধু প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিলাম।”  ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

দেখুন ভিডিও:

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং