২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

বিদ্যুতের তার টেনে সংযোগের চেষ্টা, দুই গ্রামের বাসিন্দাদের অশান্তি গড়াল সংঘর্ষে

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 25, 2020 5:26 pm|    Updated: May 25, 2020 5:30 pm

An Images

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: সুপার সাইক্লোন আমফানের তাণ্ডবের ৫ দিন পর বিদ্যুৎ এসেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কুলপির উদয়রামপুর গ্রামে। পাশের গ্রাম বুলারচকের মানুষ তখনও বিদ্যুৎহীন। উদয়রামপুর গ্রামের বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে নিজেরাই বিদ্যুৎ সংযোগের তার নিয়ে যাচ্ছিলেন নিজেদের গ্রামে। উদয়রামপুরের বাসিন্দারা বাধা দেওয়ায় শুরু হয়ে যায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ। পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে খবর। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গ্রামে পুলিশ পিকেট বসেছে।

S24-current-clash

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আমফানের তাণ্ডবের পর সোমবার কুলপির গাজীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদয়রামপুর গ্রামে বিদ্যুৎ আসে। তবে পাশের গ্রাম বুলারচকে তখনও বিদ্যুৎ নেই। তাই সেখানকার বাসিন্দারা উদয়রামপুর গ্রামের পাইকপাড়া থেকে নিজেরাই বিদ্যুৎ সংযোগ করে বুলারচক গ্রামে বৈদ্যুতিক তার টেনে আনার চেষ্টা করছিলেন। এতে বুলারচকের বাসিন্দাদের বাধা দেন উদয়রামপুর গ্রামের পাইকপাড়ার গ্রামবাসীরা। তখনই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়।

[আরও পড়ুন: হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে ডুবল বাংলাদেশি বার্জ, উদ্ধার ১২ জন নাবিক]

পাইকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বচসা চলাকালীন বুলারচকের বাসিন্দারা হঠাৎই তাঁদের ওপর চড়াও হন। ভাঙচুর করা হয় দোকানপাট, বাড়িঘর। মারধর করা হয় উদয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দাদের। সংঘর্ষের খবর পৌঁছয় পুলিশের কাছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় পাঁচজন আহত হন। তাঁদের কুলপি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে থমথমে উদয়রামপুর গ্রাম। চাপা উত্তেজনা জারি থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

[আরও পড়ুন: আমফানের দাপটে টানা ৫ দিন নেই বিদ্যুৎ, পথ অবরোধ ক্ষুব্ধ জনতার]

এমনিতেই আমফানের দাপটে দুই ২৪ পরগনা ও শহর কলকাতা একটা দীর্ঘ সময়ে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় কাটিয়েছে। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন নিগম পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রাণপণ। তবু এত বড় বিপর্যয় সামাল দিতে সময় লাগছে। ফলে কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ হয়ে যাচ্ছে, কোথাও একটু দেরি হচ্ছে। কিন্তু তার জেরে সাধারণ মানুষের যে ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে, তারই প্রতিফলন বারবার দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন অশান্তির মধ্যে। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement