সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ছাদ প্রায় ঝুলছে। দেওয়াল আর ছাদের মাঝে চওড়া ফাটল। সেই বিপজ্জনক শ্রেণিকক্ষেই চলছে পঠনপাঠন। শিক্ষক, শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক সকলেই চিন্তিত দেওয়াল কখন ভেঙে পড়ে!
কাঁকসা ব্লকের রাজবাঁধ নিম্ন বুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট পড়ুয়া ৪৩ জন। শিক্ষক ৩ জন। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ দু’টি। তার মধ্যে একটি শ্রেণিকক্ষ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। ছাদ আর দেওয়ালের মাঝে বড় বড় ফাটল। বৃষ্টির জল শ্রেণিকক্ষে চুঁইয়ে নামে। ঝুঁকি নিয়েই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পঠন-পাঠন চালাতে হয়। অভিভাবক রতন রক্ষিত বলেন, “ছেলেমেয়েদের পাঠাতে ভয় লাগে। কখন দুর্ঘটনা ঘটে ঠিক নেই। স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু তারা অসহায়।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণব সাহার কথায়, “চরম ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হয় বিদ্যালয়ে। আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে থাকি। প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।” অভিভাবকরা জানান, সর্বশিক্ষা মিশনে প্রায় সব স্কুলকেই অর্থ বরাদ্দ করা হয় নতুন ভবনের জন্য। এই স্কুলকে কেন অর্থ দেওয়া হয়নি, তা নিয়েও তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। যদিও কাঁকসার চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদীপ সরকার বলেন, “ভবনটি নিয়ে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কার করা হবে।” কাঁকসার বিডিও পর্ণা দে জানান, খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?