Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

‘হ্যান্ডওয়াশ’ দিয়ে হাত ধুলেই বীরভূমের মণ্ডপে মিলবে ভোগ

হাত না ধুলে মিলবে না প্রসাদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:১৬

options
link
‘হ্যান্ডওয়াশ’ দিয়ে হাত ধুলেই বীরভূমের মণ্ডপে মিলবে ভোগ zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: পরিচ্ছন্নতাই পবিত্রতা। এই মন্ত্রেই মণ্ডপ চত্বর সাজানো-গোছানো রাখতে চায় বীরভূম জেলা প্রশাসন। এর জন্য কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত ধুলে, তবেই ভোগের প্রসাদ পাওয়া যাবে। নির্মল বীরভূমের লক্ষ্যে এভাবেই পুজোকে প্রচারের কাজে লাগাতে চাইছে প্রশাসন।

[মায়ের ডাক বলে কথা, ভিক্ষা করেই দশভুজা বন্দনার আয়োজন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগামী জানুয়ারী মাসের মধ্যে বীরভূমকে নির্মল করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে এবার পুজোকে প্রচারে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী ও জেলাশাসক পি মোহন গান্ধী জানান, শুধু মুক্তশৌচের অভ্যাস বদল নয়, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সবাই যাতে পরিশ্রুত পানীয় জল পান সেই বিষয়টিও দেখা হচ্ছে। এলাকা পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্লাস্টিক মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কথায়, জেলার ১৬৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৪০ টি পঞ্চায়েত পুরোপুরিভাবে নির্মল হয়েছে। বাকি ২৭ টির জন্য জোর প্রচার শুরু হয়েছে। নির্মল করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযোগ, জেলার ছ’টি পুর এলাকায় এখনও পুকুরের পাড়ে খোলা ময়দানে বহু পুরবাসী শৌচকর্ম সারেন। এই প্রসঙ্গে জেলাশাসক জানান প্রায় কুড়ি হাজার পরিবারের এমন বদভ্যাস রয়েছে। রোগ সারাতে ওই সব এলাকায় এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শারদোৎসবকে ঘিরে নির্মল বীরভূম গড়ে তুলতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার পাঁচশো মণ্ডপে ইতিমধ্যে নির্মল বীরভূমের স্লোগান, হাত ধোওয়ার হ্যান্ডওয়াশ, তোয়ালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই সমস্ত মণ্ডপে হাত না ধুলে মিলবে না প্রসাদ। এই কথা দর্শনার্থীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

[ভাঙন রোধে এখানে দশভুজার সঙ্গে পুজো পান মা গঙ্গাও]

এই কর্মসূচি যে ফাঁকা আওয়াজ নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি দল ঘুরে ঘুরে মণ্ডপের পরিবেশ খতিয়ে দেখবে। সেখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা, শব্দবিধি মেনে চলা, পরিচ্ছন্নতা। মণ্ডপ নির্মল রাখার প্রাপ্তি হিসাবে সেরা পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে ৩০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদরা পাবেন যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.