Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Siddiqullah Chowdhury

সিদ্দিকুল্লাকে ফোন মমতার, অভিযুক্তদের ‘শাস্তি’র আশ্বাসে ভরসা মন্ত্রীর

নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ১৭:৪২

options
link
সিদ্দিকুল্লাকে ফোন মমতার, অভিযুক্তদের ‘শাস্তি’র আশ্বাসে ভরসা মন্ত্রীর zoom
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্য়ায়: নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। দলীয় কর্মীদের একাংশের এই আচরণে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী পদত্যাগও করতে চেয়েছিলেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রীর দাবি, অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন মমতা। সেই আশ্বাসে ভরসা রেখেছেন মন্ত্রীও।

জানা গিয়েছে, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাঁচ মিনিট ফোনে কথা হয়। কথোপকথনে আক্রমণের ঘটনায় জড়িত তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতাকে শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে বিক্ষোভের ঘটনার পর পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা। আপাতত মমতার আশ্বাসে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তিনি।

Advertisement

এ প্রসঙ্গে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী জানান,”মুখ্যমন্ত্রীকে সব জানিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, যে কোনও জায়গায় এমন ঘটনা ঘটলে কঠোর পদক্ষেপ নেব।” মন্ত্রী আরও বলেন, “সাতজন গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ জানে কারা অপরাধী। আমি নাম দিয়েছি। সরকারি আমলারাও নড়েচড়ে বসেছেন।” মুখ্যমন্ত্রী সুবিচার করবেন বলেই বিশ্বাস মন্ত্রীর।

একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার জন্য সভাস্থল দেখতে ৩ জুলাই সকাল দশটা নাগাদ মালডাঙা এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সেখানেই তাঁর কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। গাড়ি থেকে নামতেই মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু হয়। মহিলারা ঝাঁটা হাতে চড়াও হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তখনই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। এরপরই মন্ত্রী গাড়িতে উঠে কুসুমডাঙার উদ্দেশে রওনা হন। সেই সময় রাস্তায় ফের তাঁর কনভয় আটকায় বিক্ষোভকারীরা। কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি গাড়ি লক্ষ্য করে লাঠি চালানো হয়। ছোড়া হয় জল। দফায়-দফায় বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কর্মীরা। যার জেরে বারবার কনভয় আটকে পড়ে রাস্তায়। দফায়-দফায় বিক্ষোভ নিয়ে মন্ত্রীর দাবি ছিল, মন্তেশ্বরের পঞ্চায়েত সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ হয়েছে। দলের কর্মী, সমর্থকদের হাতে এইভাবে ইজ্জত নষ্ট হতে থাকলে তৃণমূল ছাড়বেন বলেও হুমকি দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.