Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘আর কত খাবে?’, ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে জেলা পরিষদের সদস্যদের ভর্ৎসনা মমতার

মমতার সাফ বার্তা, "আমি-আমি নয় আমরা। আমিত্ব ছাড়ো।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ১৬:১৮

options
link
‘আর কত খাবে?’, ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে জেলা পরিষদের সদস্যদের ভর্ৎসনা মমতার zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক বৈঠকে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের তুমুল ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB CM Mamata Banerjee)। জেলা পরিষদের পূর্ত বিভাগের টেন্ডার নিয়ে অভিযোগ পাওয়ামাত্র কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, “আর কত খাবে? তৃণমূল এত দিতে পারবে না।”

বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই অভিযোগ জানান জেলা পরিষদের ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মামনি মুর্মু। তাঁর অভিযোগের তীর ছিল দুই কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে-পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শুভ্রা মাহাতো এবং জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ উজ্জ্বল দত্তের বিরুদ্ধে। দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত বিভাগের টেন্ডারে কারসাজি করেন ওই দুই সদস্য। তাঁদের মনমতো ব্যক্তি টেন্ডার না পেলে অন্তত ৭-৮ বার বরাত বাতিল করেন। অভিযোগ শুনেই ফুঁসে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখবেন জেলাশাসক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করলে…’, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি মমতার]

ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, “আর কত খাবেন? এবার কি হিরের চচ্চড়ি নাকি সোনার ডালনা খাবেন? এত দিতে পারবে না তৃণমূল। অনেক পেয়েছেন।” তাঁর কড়া বার্তা, “উজ্জ্বলের নামে আগেও অভিযোগ শুনেছি। এবার শেষবার সতর্ক করছি। না হলে গ্রেপ্তার করিয়ে দেব। আর শুভ্রা মহিলা হয়েও এত লোভ কীসের?” পরে অভিযুক্ত দুই কর্মাধ্যক্ষের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তা, “এর পর নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে মেয়েটাকে ভয় দেখাবে না।” জেলা পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশে মমতার সাফ বার্তা, “আমি-আমি নয় আমরা। আমিত্ব ছাড়ো।”

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুই কর্মাধ্যক্ষই। তাঁদের দাবি, “সমস্ত কাজ হয় ই-টেন্ডারের মাধ্যমে। এখানে আমাদের কোনও ভূমিকা থাকে না।” ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েষাও জানান, “সমস্ত প্রক্রিয়া মেটানো হয় ই টেন্ডারের মাধ্যমে। টেকনিক্যাল দিক দেখে বাতিল করা হয় টেন্ডার।” মুখ্যমন্ত্রীকে পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলার পর অভিযোগকারীদের ভর্ৎসনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “একটা ছোট বিষয়কে নিয়ে এত বড় করে দেখানো ঠিক নয়।”

[আরও পড়ুন: চাকরি খোঁজা এখন আরও সহজ, আমূল বদলে যাচ্ছে রাজ্যের এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.