Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

মরা মুরগির ব্যবসা বন্ধে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের গড়িমসিতে ক্ষুব্ধ মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৭:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৭:২০

options
link
মরা মুরগির ব্যবসা বন্ধে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর zoom

স্টাফ রিপোর্টার: মরা মুরগির ব্যবসা নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের কোথাও এই ধরনের ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় যে মরা মুরগির ব্যবসা চলছে, বিষয়টি নিয়ে কেন প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের সচিবের কাছে কোনও তথ্য নেই ? বুধবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে বীরভূম জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে কৈফিয়তও চান মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠকের শুরুতেই মরা মুরগির প্রসঙ্গ ওঠে। এই ব্যবসা নিয়ে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের সচিবের কাছে জানতে চান তিনি। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সচিবকে ধমকও দেন মুখ্যমন্ত্রী। সচিবকে বলেন,  “দ্রুত এসব বন্ধ করতে হবে। কোথাও মুরগির মড়ক লাগলে তা দ্রুত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করাতে হবে। এক জায়গায় এই ব্যবসা হলে অন্যত্রও তা ছড়িয়ে পড়ে। এটা মাথায় রাখতে হবে। কোনওভাবে এসব বরদাস্ত করা হবে না। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও কোথাও মরা মুরগির ব্যবসা হচ্ছে, সংবাদ মাধ্যমের কাছে এমন খবর থাকলে তা সরকারকে জানাক।  সেক্ষেত্রে যিনি এই খবর দেবেন তাঁকে পুরস্কৃত করবে সরকার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[কেনা ঘিয়ে নেই চেনা গন্ধ, বাজার থেকে আনা প্রিয় জিনিসটা নকল নয়তো!]

মুখ্যমন্ত্রী এদিন মরা মুরগির ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও তোলেন। জানতে চান,  “কেন স্থানীয় বিডিও,  থানার আইসি বিষয়টি জানে না ? কেন বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আসেনি?”  কোনওভাবে এই গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না, বলেও প্রশাসনিক কর্তাদের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, সোমবারই খবর আসে মরা মুরগি ফরমালিনে ডুবিয়ে রেখে তা কলকাতার মাঝারি,  ছোট রেস্তরাঁয় সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই দিয়েই হচ্ছে সস্তার বিরিয়ানি। রসনাপ্রিয় বাঙালি পকেট বাঁচিয়ে সেই বিরিয়ানিই চেটেপুটে খাচ্ছে। এই খবর আসার পরেই প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। এরপর শহরের ১৬টি বরোয় শুরু হয়েছে মুরগির মাংসের নমুনা সংগ্রহের কাজ। প্রতি বরোতে অন্তত দু’টি করে নমুনা সংগ্রহ করে এনে তা পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় যদি দেখা যায় রোগে আক্রান্ত মুরগি ফরমালিনে ডুবিয়ে তা বিক্রি করা হয়েছে তাহলে বাজেয়াপ্ত করা হবে ট্রেড লাইসেন্স। খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সস্তায় বিরিয়ানি খেতে গেলে মানুষ হিসেব করেই খাক।

[পর্ষদের নিয়ম ভেঙে দেড় ঘণ্টা আগে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র খুলে ফেললেন প্রধান শিক্ষক!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.