Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সলামিক স্টেট

‘শীঘ্রই আসছি’, পোস্টারে বাংলায় হামলার হুঁশিয়ারি ইসলামিক স্টেটের

নিশানায় বাংলাদেশও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯, ১৪:০৩

options
link
‘শীঘ্রই আসছি’, পোস্টারে বাংলায় হামলার হুঁশিয়ারি ইসলামিক স্টেটের zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ক্ষত এখনও টাটকা৷ ধুঁকছে রক্তাক্ত সিরিয়া৷ খিলাফত প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে যেন আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)৷ এহেন পরিস্থিতিতে বাংলায় হুমকি পোস্টার লিখে এবার পশ্চিমবঙ্গে হামলার হুমকি দিল জঙ্গি সংগঠনটি৷

[কলম্বোর আত্মঘাতী জঙ্গিই মূলচক্রী, দেহ শনাক্ত করে রিপোর্ট গোয়েন্দা দপ্তরের]

Advertisement

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি টেলিগ্রাম নামের একটি মেসেজিং অ্যাপে একটি পোস্টার প্রকাশ করে আইএস৷ বাংলায় লেখা পোস্টারটিতে ছিল হাড়হিম কড়া বার্তা- ‘শীঘ্রই আসছি’৷ গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কোন জায়গা থেকে পোস্টারটি প্রকাশ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ জেহাদি সংগঠনটি বাংলাদেশ ও ভারতে নাশকতামূলক ঘটনা সংগঠিত করার চেষ্টা করছে৷ বিশেষ করে নিশানায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ৷ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রাজ্যে সরাসরি হামলা চালানোর ক্ষমতা নেই আইএসের৷ তবে জেএমবির মতো জেহাদি সংগঠনগুলিকে হামলার জন্য কাজে লাগাতে পারে ইসলামিক স্টেট৷ বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেটের উপস্থিতি রয়েছে৷ নব্য জেএমবি আইএসেরই শাখা সংগঠন৷ ফলে পশ্চিমবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এরাজ্যে প্রবেশ করতে পারে জঙ্গিরা৷ উল্লেখ্য, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর রাজ্য ও দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে পুলিশের জালে পড়েছে একাধিক জেএমবি জঙ্গি৷  

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে পূর্বাঞ্চলে উৎপাত শুরু করেছে জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গিরা। বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই জঙ্গিরা যে এই দেশে যথেষ্ট সক্রিয়, তা জানতে পেরেছেন ভারত ও বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। দু’দেশেই জঙ্গিদের মাথারা ধরা পড়েছে। কিন্তু জেএমবি ও নিও জেএমবি, বাংলাদেশের আল কায়দার জঙ্গিরা যে ফের ঘাঁটি তৈরি করে নাশকতা চালাবে না,  এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।অনেক সময়ই এই জঙ্গিদের রাইফেলের চেয়ে হ্যান্ড গ্রেনেড বা অ্যাসিড বোমাই বেশি পছন্দ। বাংলাদেশের এই জঙ্গিদের স্ট্র‌্যাটেজি মাথায় রেখে দু’দেশেই তাদের রুখতে গত মার্চ মাসে যৌথভাবেই মহড়ায় নামে ভারত ও বাংলাদেশের সেনারা।             

[অন্ধকারের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে, আফশোস মোদির চপারে তল্লাশি চালানো আধিকারিকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.