Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

কাঠের সেতু পেরোতে ‘নজরানা’ ১০ টাকা! ক্ষোভে ফুঁসছে কালিন্দ্রীপাড়ের গ্রাম

ইজারাদারদের দাদাগিরি। ছাড় নেই গরুকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৪:৩৩

options
link
কাঠের সেতু পেরোতে ‘নজরানা’ ১০ টাকা! ক্ষোভে ফুঁসছে কালিন্দ্রীপাড়ের গ্রাম zoom

বাবুল হক, মালদহ: শুখা মরশুমে নদীতে জল প্রায় নেই বললেই চলে। নৌকা পারাপারের ব্যাপার নেই। নেই মাঝি—মাল্লারও। নামেই শুধু খেয়াঘাট। যা বদলে গিয়েছে বাঁশ-কাঠের সেতুতে। আর এই সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে নদী পেরোলেই দিতে হবে ১০ টাকা। এমনকী একই ভাড়া গুনতে হচ্ছে গরুকেও!

[পরিবেশের স্বার্থে ১৮ বছরে একবারও গাড়ির হর্ন বাজাননি এই ব্যক্তি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

BRIDGE

মালদহ জেলায় বছর কয়েক আগেও খেয়াঘাটের ভাড়া ছিল মাত্র ১ টাকা। চলতি মাসেই সেটা একলাফে বাড়িয়ে ১০ টাকা করে দেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন নদীপাড়ের মানুষজন। শুধুমাত্র ভারী বর্ষায় ফুলেফেঁপে ওঠে ইংরেজবাজারের কালিন্দ্রী নদী। শুখা মরশুমে এই নদী অনেকের কাছেই ‘মরা কালিন্দ্রী’। আছে অন্তত এক ডজন খেয়াঘাট। তার মধ্যে হাতে গোনা দু’—তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে নিলাম করা হয়। আর বাকিটা মালদহ জেলা পরিষদের অধীনে রয়েছে। সম্প্রতি টেন্ডার ডেকে জেলার সমস্ত খেয়াঘাটের লিজ দিয়েছে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। চুক্তি হয়েছে এক বছরের। কিন্তু জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েতের বেঁধে দেওয়া ভাড়ার তালিকা কোনও ঘাটের ইজারাদাররাই মানছেন না বলে অভিযোগ। পিরগঞ্জ, বুধিয়া, বলরামপুর, মাদিয়া, ফুলবাড়িয়া, মিলকি-সহ প্রত্যেকটি খেয়াঘাটেই পারাপারের কড়ি একলাফে ১০ টাকা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজবাজার ব্লকের অন্তত ২৫টি গ্রামের মানুষ খেয়াঘাট পেরিয়ে শহর কিংবা বাজারে যাতায়াত করেন।

[শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী না ফেরায় অভিমানে আত্মঘাতী স্বামী]

নরহাট্টা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য নীরেন মণ্ডল বলেন, “ঘাটওয়ালারা সবাই নিজেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভাড়া নির্ধারিত করেছেন। কিন্তু এটা অন্যায়। জেলা পরিষদের আধিকারিকরা ঘাটের দূরত্ব মেপে ভাড়া নির্ধারণ করেন। কিন্তু জেলা পরিষদের ভাড়ার তালিকা কোনও ঘাটেই টাঙানো নেই। নৌকা নেই। মাঝি নেই। ফলে কোনও খরচও নেই। একটা কাঠের সেতু তৈরি করেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে বেআইনি কারবার চলছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন গ্রামের গরিব লোকজন কি করে ১০ টাকা করে প্রতিবার যাতায়াতের জন্য দেবেন?” বলরামপুরের বাসিন্দা রাজু হালদারের অভিযোগ, গত বছর ভাড়া ছিল ২ টাকা। এই মাসে হঠাৎ সেটা ১০ টাকা হয় কী করে? প্রতিবাদ করলেই ঘাটের ইজারাদারদের লাঠিয়ালরা তেড়ে আসে। অমৃতি এলাকার একটি খেয়াঘাটের এক কর্মী জানান, হেঁটে সেতু পার হলে ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বাই-সাইকেল ১৫ টাকা, মোটরবাইক ২০ টাকা এবং চার চাকার গাড়ি ৫০ টাকা। এমনকী গরুকেও খেয়াপারের জন্য গুনতে হচ্ছে ১০ টাকা ভাড়া! এত ভাড়া কেন সাধারণ মানুষকে গুনতে হচ্ছে। এর জবাবে ওই কর্মীর দাবি, ঘাটের লিজ নিতে গিয়ে বাড়তি কয়েক লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে। বাস-ট্রেনের ভাড়া বাড়ছে। তাহলে এখানে বাড়বে না কেন? পালটা প্রশ্ন তার। এমন অভিযোগ ওঠায় বেজায় চটেছেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, “জেলা পরিষদের ভাড়ার তালিকা মেনেই খেয়াঘাটের পারানি নিতে হবে। সুনির্দিষ্টভাবে কেউ অভিযোগ করলেই আমরা লিজ বাতিল করে দেব। অন্যায়ভাবে বাড়তি ভাড়া নেওয়া চলবে না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.