Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Bangaon

সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, পালাবদলে ভাঙা পড়ল বনগাঁয় নীল বিদ্রোহের বিতর্কিত ভাস্কর্য

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, তৎকালীন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য সাধারণ মানুষ ব্যবসায়ীদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করেই ওই ভাস্কর্যগুলি সেখানে তৈরি করেছিল৷

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ২০:৩১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ২০:৩১

options
link
সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, পালাবদলে ভাঙা পড়ল বনগাঁয় নীল বিদ্রোহের বিতর্কিত ভাস্কর্য zoom
মূর্তিগুলিতে ভাঙচুর চালানোর পরের অবস্থা।
Advertisement

দীর্ঘ ১৫ বছর পর ফের রাজ্যে পালাবদল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গেই আজ, শনিবার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া-সহ বেশ কয়েকজন। জেলাজুড়ে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। এর মধ্যেই বনগাঁয় জনবহুল রাস্তার পাশে থাকা বিতর্কিত ভাস্কর্য গুঁড়িয়ে দিলে জনতা। জেলা থেকে অশোক কীর্তনিয়া মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতেই ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় মানুষজন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর তরজা। যদিও এই বিষয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, স্থানীয় মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে কিছু একটা করে থাকতে পারে। অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

অন্তত্য ব্যস্ততম একটি এলাকা বনগাঁ বাটার মোড়। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বড় বড় স্ট্যাচু রয়েছে ৷ ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর নীল বিদ্রোহের কাহিনী অবলম্বনে সেই ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল৷ ছিল একাধিক মূর্তি। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি ছিল স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। একাধিকবার স্ট্যাচুগুলি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। তৎকালীন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যানের এমন কাজ নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল৷ আজ, শনিবার বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতেই সেই মূর্তি ভেঙে দেয় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

Advertisement

২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর নীল বিদ্রোহের কাহিনী অবলম্বনে সেই ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল৷ ছিল একাধিক মূর্তি। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি ছিল স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। একাধিকবার স্ট্যাচুগুলি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, তৎকালীন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য সাধারণ মানুষ ব্যবসায়ীদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করেই ওই ভাস্কর্যগুলি সেখানে তৈরি করেছিল৷ কিন্তু সাধারণ মানুষ ২০১৮ সালের বাগদার আমডো গ্রামের পঞ্চায়েত ভোটের হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে ‘আম ডোবের’স্মৃতি বলতো ওই ভাস্কর্যকে। সম্প্রতি বনগাঁ পৌরসভার চেয়ারম্যান বদল হলেও ব্যবসায়ীরা তাঁর কাছে এতগুলি গুলি সরিয়ে নেয়ার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছিল৷ তাতেও কোন কাজ না হওয়ায়, ক্ষুব্ধ ছিল বাসিন্দারা ৷ ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, কে ভেঙেছে তাঁরা বলতে পারবে না। তবে সাধারণ পথ চলতি মানুষের অনেক সুবিধা হল।

অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা উপেক্ষা করেই জোর করে এই ভাস্কর্য ওখানে লাগানো হয়েছিল ৷ ফলে যান জোটে নাকাল হতো এলাকার মানুষ। এমনকী দিনের বেলা চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হতে হতো। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছে, মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জেলায় ফিরলেই এই বিষয়ে কথা বলা হবে। কথা বলেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.