Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

৯৮-তেই বড়মার শতবর্ষের জন্মদিন পালন তৃণমূলের, বিস্ফোরক দাবি নাতির

ভোটার কার্ডও দেখিয়েছেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০১৮, ২১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০১৮, ২১:৩৪

options
link
৯৮-তেই বড়মার শতবর্ষের জন্মদিন পালন তৃণমূলের, বিস্ফোরক দাবি নাতির zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ:  মতুয়াদের বড়মা বীণাপাণি দেবীর একশোতম জন্মদিন বলে কথা!  সাজো সাজো বর উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঠাকুরনগরে। বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগরে সভা করবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, যাঁর জন্মদিন উপলক্ষে এত অয়োজন, তাঁর বয়স একশো ছুঁতে এখনও দু’বছর বাকি! বোমা ফাটালেন বড়মা-র নাতি শান্তুনু ঠাকুর। শুধু তাই নয়, মহকুমা শাসকের শংসাপত্র ও বড়মা-র ভোটার কার্ডও দেখিয়েছেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে।  

[ কেউ ওষুধ না খেলে সরকার নিরুপায়, শবরদের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া মমতার]

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসংঘের সদর দপ্তর। জেলায় মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক শাসকদলের। রাজ্যের পালাবদলের পর, মন্ত্রীও হয়েছিলেন বীণাপাণি দেবীর ছোট ছেলে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর। পরে অবশ্য মন্ত্রিত্ব ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। এদিকে গত লোকসভা ভোটে শাসকদলের টিকিটে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর। তিনি বড়মা-র বড় ছেলে। তাঁর মৃত্যুর পর বর্তমানে সাংসদ কপিলকৃষ্ণের স্ত্রী মমতাবালা ঠাকুর। মতুয়াদের উন্নয়নের জন্য মতুয়া উন্নয়ন পর্ষদও তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার শততম জন্মদিনে বড়মা বীণাপাণি দেবীকে শুভেচ্ছা জানাতে গাইঘাটায় আসবেন তিনি, জনসভাও করবেন। কিন্তু বড়মার বয়স কি আদৌও একশো বছর?  প্রশ্ন তুলে দিলেন নাতি শান্তনু। মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছেলে শান্তুনু।

কী বলেছেন তিনি?  রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর ছেলে শান্তুনুর দাবি, বীণাপাণি দেবীর জন্ম ১৯২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। সেই হিসেবে তাঁর বয়স এখন আটানব্বই। শুধু তাই নয়, নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মহকুমা শাসকের শংসাপত্র ও ঠাকুমার ভোটার আইডি কার্ডও দেখিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, লোকসভা ভোটে চমক দিতেই দু’বছর আগে বড়মা-র শতবর্ষ পালন করছেন শাসকদল। যদিও শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও শাসকদলের নেতা ধ্যানেশ গুহের পালটা দাবি, মহকুমা শাসক কখনই বয়সের শংসাপত্র দিতে পারেন না। এসব নথি দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।

[জীবিকা খোয়ানো ৭০০ ধীবর পরিবারের পাশে দাঁড়াল জেলা মৎস্য দপ্তর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.