নন্দন দত্ত, বীরভূম: দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফিরেছেন অনুব্রত মণ্ডল। ধীরে ধীরে দলের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন। সম্প্রতি কোর কমিটির বৈঠকেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এসবের মাঝেই বেফাঁস শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। তৃণমূল সাংসদ বললেন, “কেষ্টদা ফিরতেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে”। যদিও সুকৌশলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে বোলপুর ফিরেছেন অনুব্রত মণ্ডল। কেষ্টর ঘরে ফেরা যে তাঁর অনুগামীদের চাঙা করেছে তা বলাই বাহুল্য। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ ওঠে অনুব্রতর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে দুপক্ষের তুমুল অশান্তিও হয়। শুক্রবার সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের শক্তিপুরে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এবিষয়ে মুখ খুললেন শতাব্দী রায়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বীরভূমের সাংসদ বলেন, “চন্দ্রনাথ দা আর কেষ্টদার দুটো গোষ্ঠী আছে? আমার জানা নেই। আমি জানি ওনারা মিলেমিশেই কাজ করেন।” এর পরই বেফাঁস মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, “তবে কেষ্টদা ফিরতে তাঁর সমর্থকরা কেউ অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। অনেকে আবার বিশেষ খুশি নন। ফলে সব মিলিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে কোথাও কোথাও।”
উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় পুজোর আগে জামিনে মুক্তি পান বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর অনুপস্থিতিতে এলাকায় দাপট বেড়েছিল কাজল শেখের। কেষ্ট ফিরতেই দুজনের দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে কোর কমিটির বৈঠকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে কাজল-অনুব্রতকে। এই পরিস্থিতিতে শতাব্দীর এদিনের মন্তব্য একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?