Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

‘চোর’ সন্দেহে পাঁশকুড়ায় গণপিটুনির শিকার পুলিশকর্মী

খাবারের খোঁজে গিয়ে এই বিপত্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৭, ০৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৭, ০৫:০৭

options
link
‘চোর’ সন্দেহে পাঁশকুড়ায় গণপিটুনির শিকার পুলিশকর্মী zoom

সৈকত মাইতি, পূর্ব মেদিনীপুর: পুরভোটের ডিউটিতে গিয়ে বেদম মার খেলেন এক পুলিশকর্মী। চোর সন্দেহ গণপিটুনির শিকার হলেন সুব্রত মজুমদার। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে পাঁশকুড়ায় গিয়েছিলেন সুব্রত। যে বুথে তিনি নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তার থেকে কিছু দূরে তিনি মার খান। খাবারের খোঁজে বেরিয়ে তাঁর এই দুর্দশা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পাঁশকুড়া থানার পুলিশ তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে।

[স্বাধীনতা দিবসেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা ভারতের!]

পুরভোটে অশান্ত হয়েছিল পাঁশকুড়ার একাধিক ওয়ার্ড। দিনভর রাজনৈতিক কর্মীদের সামলাতে ব্যস্ত ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। পাঁশকুড়ার গার্লস হাইস্কুলে ইভিএমগুলি রাখা হয়েছিল। সেখানে ডিউটিতে ছিলেন ৩৭ বছরের সুব্রত মজুমদার। ইভিএম রুমের হোমগার্ডের দায়িত্বে থাকা সুব্রত রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত ডিউটিতে ছিলেন। এরপর তিনি পাঁশকুড়ার কিষাণ মান্ডিতে ফিরে যান। সূত্রের খবর, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ইউনিফর্ম খুলে ব্যাগ রেখে খাবারের খোঁজে বেরিয়ে পড়েন সুব্রত। কোথাও খাবার পাওয়া যায় কিনা তার সন্ধান করছিলেন। পাঁশকুড়ার ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেদিনীপুর ক্যানাল লাগোয়া বাহার এলাকায় তাঁকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। এত রাতে কেন তিনি ঘুরছিলেন তা নিয়ে স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে পড়েন ওই পুলিশকর্মী। অভিযোগ পরিচয়পত্র দেখার পরও স্রেফ সন্দেহের বশে সুব্রত মজুমদারকে বেদম মারা হয়। চোর ভেবে হাত-পা বেঁধে দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা হয়। এরপর এলাকার লোকজনই পুলিশে খবর দেন। গভীর রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঁশকুড়া থানার পুলিশ সুব্রত মজুমদারকে পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সুব্রতর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। তাঁর বাড়ির লোক হাসপাতালে পৌঁছেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[উপত্যকায় সেনার সাফল্য, খতম হিজবুল কমান্ডার ইয়াসিন]

তবে এই ঘটনায় কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হয়নি। পরিচয়পত্র থাকার পরও কেন তিনি মার খেলেন তার উত্তর মেলেনি। পাশাপাশি গভীর রাত পর্যন্ত ডিউটি করার পর কেন তার জন্য খাবারের ব্যবস্থা ছিল না তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.