২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: মাত্র ছ’দিনের মধ্যে স্টেশন মাস্টার খুনের কিনারা করল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ। স্বামীকে খুন করে তাঁর রেলের চাকরি হাতিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিল স্টেশন মাস্টারের স্ত্রী। তবে শেষরক্ষা হল না। অবশেষে প্রেমিক-সহ পুলিশের জালে ধরা পড়ল ওই মহিলা।

ডায়মন্ড হারবারের রায়নগরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভাড়াবাড়িতে থাকত স্টেশন মাস্টার নির্মল কুমার এবং তাঁর স্ত্রী সোনালি। গত শনিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েন সস্ত্রীক স্টেশন মাস্টার। পরে রবিবার সকালে দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই পুলিশের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে নির্মল কুমারকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ নিহতের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করে। তাতেই পরিষ্কার হয়ে যায় খুনের নেপথ্য কাহিনি।

[আরও পড়ুন: গ্রামের খালেই সাঁতরে বেড়াচ্ছে ডলফিন! ভাইরাল ভিডিও]

জেরায় সোনালি জানায়, বিয়ের আগে থেকেই আরশাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তার। কর্মসূত্রে বিহার থেকে ডায়মন্ড হারবারে স্বামীর সঙ্গে চলে আসে সোনালি। তবুও আরশাদের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ ছিল তার। স্বামী নির্মলকে খুন না করলে আরশাদের সঙ্গে সংসার করা যাবে না তা বুঝতে পারে সোনালি। এছাড়াও তার পরিকল্পনা ছিল স্বামীকে খুন করে রেলের চাকরি হাতাবে সে। তাই শনিবার রাতে প্রেমিক আরশাদকে ডায়মন্ড হারবারের বাড়িতে ডেকে নেয় সোনালি। স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার পরই শনিবার রাতে আরশাদ প্রেমিকার ভাড়াবাড়িতে আসে। প্রেমিকের সাহায্যে শ্বাসরোধ করে স্বামীকে খুন করে সোনালি। এরপর আরশাদ স্টেশনমাস্টার নির্মল কুমারের দেহ নর্দমায় ফেলে দেয়। বিহারে পালিয়ে যাওয়ারও ছক কষেছিল আরশাদ। তবে ইতিমধ্যেই জানাজানি হয়ে যায় গোটা ঘটনা। সোনালির বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ আরশাদকেও গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই দু’জনকে আদালতে তোলা হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং