সুব্রত বিশ্বাস: চার কুখ্যাত রেল ডাকাতকে ধরতে সক্ষম হল রেল পুলিশ। গত ১২ ডিসেম্বরে চলন্ত ট্রেনে এক পুলিশ ইনস্পেক্টরকে ছুরি মেরে তাঁর ব্যাগ ও মোবাইল কেড়ে নেয় এই দুষ্কৃতীরা। তারপর থেকেই হামলাকারীদের খোঁজ করছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ‘পাণ্ডবেশ্বরে পা দিয়ে দেখা, ঠ্যাং ভেঙে দেব’, জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে হুঁশিয়ারি ব্লক তৃণমূল সভাপতির]
জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী ইন্সপেক্টর বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে কর্তব্যরত। তাঁর নাম সৌম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করেন। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে রেল পুলিশ বলে খবর। ধৃতদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ছিনতাই ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। চলন্ত ট্রেনে বেশ কয়েকবার যাত্রীদের উপর হামলা চালিয়ে তাঁদের জিনিসপত্র কেড়ে নেয় ডাকাতরা। বিশেষ করে যাদবপুর থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত এদের দাপটে ত্রস্ত ছিলেন নিত্য যাত্রীরা।
সৌম্যবাবু জানান, গত ১২ ডিসেম্বরে রাতে যাদবপুর থেকে ট্রেনে ফেরার পথে বালিগঞ্জ ছাড়ার পর দুষ্কৃতীরা তাঁর ব্যাগ ও মোবাইল কেড়ে নেয়। বাধা দিতে গেলে তাকে ছুরি মারে দুষ্কৃতীরা। ফলে হাতে আঘাত পান তিনি। শিয়ালদহ এসে চিকিৎসা করিয়ে তিনি জিআরপিতে অভিযোগ জানান। ঘটনার পর যাত্রীদের আক্ষেপ, যখন একজন পুলিশ ইনস্পেক্টরকে উপর দুস্কৃতী হামলা হতে পারে, তখন সাধারণ যাত্রীর নিরাপত্তা কোথায় তা স্পষ্ট। নিউ নর্মালে যাত্রী কম হলেও দুস্কৃতী তাণ্ডব রয়েছে শিয়ালদহ ডিভিশনের বিভিন্ন জায়গায় বলে যাত্রীদের অভিযোগ। অনেকেই অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত সংখ্যায় রেলরক্ষী না থাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট বেড়েছে।
[আরও পড়ুন: কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা, ৩ আইপিএস অফিসারকে ডেপুটেশনের ইস্যুতে রাজ্যের পাশে অধীর]
সর্বশেষ খবর
-
মাতলার চরে বৃদ্ধাশ্রম! ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস
-
ডেকে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে আকণ্ঠ মদ্যপান, হোটেলে ‘গণধর্ষণ’! প্রশ্নের মুখে নির্যাতিতার বান্ধবীর ভূমিকা
-
সমুদ্রতটে ৭০০ ডলফিন ও তিমির লাশ! উৎসবের নামে নৃশংস হত্যালীলা, নিন্দায় সরব বিশ্ব
-
বিশ্বকাপ রুখতে ফুটবলারদের মূর্তি বিবস্ত্র করে প্রতিবাদ! শিক্ষকদের মার পুলিশের, উত্তপ্ত মেক্সিকো
-
বর্ষায় কীভাবে বাড়ি রক্ষা করবেন, জেনে নিন সহজ কৌশল