১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্বস্তি নেই রাজ্যের করোনা গ্রাফে, দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু কমল সামান্যই

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 26, 2020 8:18 pm|    Updated: October 26, 2020 8:46 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন সপ্তাহেও স্বস্তির নামমাত্র নেই। রাজ্যে করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের হার কমছে না। স্বাস্থ্যদপ্তরের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে রাজ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ৪১২১ জন। এ নিয়ে পুজোশেষের বঙ্গে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা সাড়ে ৩ লক্ষ ছুঁইছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৫৯ জনের। মৃতের মোট সংখ্যা ৬৫৪৬। এই পরিসংখ্যানে উদ্বেগ বাড়ছে বই কমছে না কোনওভাবেই।

পুজোর মরশুমে রাজ্যের করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হবে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এই আশঙ্কার অক্ষরে অক্ষরে ফলেছে সেই চতুর্থীর দিন থেকেই। দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজারের উপরে উঠেছে রোজই। মৃতের গড়ও ছিল ষাটের কাছাকাছি। উৎসব মধ্যগগন পেরিয়ে এখন শেষ প্রহরে। তাতেও সংক্রমণ কমার লক্ষ্ণণ নেই। রবিবারের পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করলে যৎসামান্য কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা, যা হাতে গোনা যায়। এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট করোনা সংক্রমিত ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭০১।

[আরও পড়ুন: পুজোর অনুদানের অর্থ মানব কল্যাণে, ৫০ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান হাওড়ার ক্লাবের]

সংক্রমণের শীর্ষে সেই কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এই মুহূর্তে করোনা রোগীর সংখ্যা ৭২৫৩, উত্তর ২৪ পরগনায় সামান্য কম – ৭০৯৩। করোনা যুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া। দুটি জেলাতেই কোভিড রোগীর সংখ্যা নামমাত্র। স্বাস্থ্যদপ্তরের বিস্তারিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ লক্ষ ৯৮ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, যার মধ্যে ৮.১৫ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

[আরও পড়ুন: কোচবিহারের তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি ধারাল অস্ত্রের কোপ, গণপিটুনির শিকার এক অভিযুক্ত]

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলার ৩, ৮৮৯ জন করোনা মুক্ত হয়েছেন। সুস্থতার হার ৮৭.৬৪ শতাংশ। এ নিয়ে রাজ্য়ে মোট করোনজয়ীর সংখ্য়া ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৮৬। উৎসবের মরশুমে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে বাড়তি পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। নিয়মিত নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাবৃদ্ধি এবং সুস্থতার হারই করোনা যুদ্ধের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এ রাজ্যে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement