BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যের স্কুলপাঠ্যেও ‘করোনা’, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে থাকবে ভাইরাসের খুঁটিনাটি

Published by: Sayani Sen |    Posted: June 29, 2020 7:42 pm|    Updated: June 29, 2020 9:05 pm

An Images

ফাইল ফটো

দীপঙ্কর মণ্ডল: করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের আশঙ্কায় প্রায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। তারপরই চালু হয় লকডাউন। আপাতত আনলক ওয়ানে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছেন সকলে। খুলেছে সরকারি, বেসরকারি অফিস, ধর্মীয় স্থান। তবে এখনও খোলেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। কবে খুলবে স্কুল, কলেজ সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি এখনও। তবে তারই মাঝে সিলেবাসে কিছু বদল আনার কথা ভাবছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। এবার রাজ্যের স্কুলপাঠ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে করোনা ভাইরাস। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাসে রাখা হবে করোনা সংক্রমণ, সতর্কতা ও প্রতিকারের কথা। এই মারণ ভাইরাস ঠিক কী? কীভাবে তা ছড়াতে পারে? সংক্রমণ এড়ানোর সম্ভাব্য উপায় এবং নানা ধরনের করোনা সতর্কতা অন্তর্ভুক্ত করা হবে সিলেবাসে। 

স্কুল শিক্ষা বিশেষজ্ঞ কমিটিকে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক অভীক মজুমদার জানিয়েছেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমেই গণসচেতনতা গড়ে ওঠে। বাচ্চারাই অভিভাবকদের সাবধান করতে পারে। করোনা সতর্কতা সিলেবাসে রাখা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। প্রত্যেক ক্লাসের পাঠ্যবইতে এটি থাকা দরকার। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ কার্যকর হবে।” স্কুল শিক্ষা দপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি পাঠ্যবইয়ের শুরুতেই সংবিধানের প্রস্তাবনা থাকে। করোনা সতর্কতার বিষয়টি আমরা পাঠ্যবইয়ের পিছনে অন্তত ১-২ পাতা করেও রাখতে পারি।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে বিজেপি নেতার নেমপ্লেট লাগানো গাড়ি থেকে উদ্ধার মাদক, গ্রেপ্তার ৪]

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কোভিড-১৯ (Covid-19) পাঠক্রমে ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে। সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরের পাঠক্রমে বিষয়টি রেখেছে কর্তৃপক্ষ। লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ও একই রাস্তায় হাঁটছে। তবে স্কুলস্তরে এখনও অন্য কোনও রাজ্য করোনাকে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে কিছু ভাবেনি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং বাস্তবোচিত বলে মনে করছে শিক্ষামহল। স্কুলশিক্ষা বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান অভীকবাবু জানিয়েছেন, “পাঠ্যপুস্তকে করোনা অন্তর্ভুক্তির আগে আমরা চিকিৎসক ও মনোবিদদের সঙ্গে কথা বলব। কোন বয়সের পড়ুয়াদের পাঠ্যবইতে কতটা এই রোগের সমস্যা ও সমাধানের কথা উল্লেখ করা উচিত, তা চিকিৎসকরা ভাল বলতে পারবেন।”

[আরও পড়ুন: বন্ধ ঘরে ছাত্রকে ‘যৌন হেনস্তা’ শিক্ষকের, ভিডিও রেকর্ড করে থানায় গেলেন নাবালকের বাবা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement