Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

অশান্তির জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু দম্পতির, গুরুতর জখম ১৪ দিনের শিশু

শিশুর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১৯:৩৬

options
link
অশান্তির জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু দম্পতির, গুরুতর জখম ১৪ দিনের শিশু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সাংসারিক বিবাদের জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু দম্পতির৷ আগুনে পুড়ে গুরুতর জখম তাঁদের ১৪ দিনের শিশুও৷ শরীরের অধিকাংশ অংশই পুড়ে গিয়েছে তার৷ বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি রয়েছে শিশুটি৷ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দার শেওয়াঘাঁটিতে৷

[প্রতিবাদের মাশুল, বিয়েবাড়িতে ফুটন্ত ভাতের কড়াইয়ে ফেলে দেওয়া হল যুবককে]

বছরদুয়েক আগে লালমোহন হোড়ের সঙ্গে বিয়ে হয় মনীষার৷ বিয়ের সময় মনীষার বাপের বাড়ি থেকে পণ হিসাবে কিছু টাকা নেয় সে৷ দাবি ছিল একটি মোটরবাইকেরও৷ কিন্তু সে দাবি পূরণ হয়নি লালমোহনের৷ তবু বিয়ে হয়ে যায় দুজনের৷ বিয়ের পর থেকে এই নিয়ে শুরু হয় অশান্তি৷ গৃহবধূর বাপের বাড়ির অভিযোগ, মনীষার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত লালমোহন৷ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে একাধিকবার বাপের বাড়িও ফিরে যায় সে৷ কিন্তু প্রতিবারই নিজে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মনীষাকে ফিরিয়ে আনত লালমোহন৷ এরই মাঝে সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েন মনীষা৷ অভিযোগ, ওই অবস্থাতেও মনীষার ওপর অত্যাচার এতটুকু কমায়নি লালমোহন৷ আবার নতুন করে বাইক দাবি করতে শুরু করে সে৷  বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্যও চাপ দেওয়া হত মনীষাকে৷ সন্তানসম্ভবা অবস্থায় মারধর করায় কয়েকবার অসুস্থও হয়ে পড়ে মনীষা৷ অভিযোগ, কয়েকজন মহিলার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েছিল লালমোহন৷ মনীষার বাপের বাড়ির অভিযোগ, তার প্রতিবাদ করায় প্রায়শই অত্যাচার সহ্য করতে হত তাঁকে৷

Advertisement

[ফের ভিডিও কলে আত্মহত্যা, প্রেমিকের গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়ার দৃশ্য দেখল নাবালিকা]

সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে বাপের বাড়িতেই ছিল মনীষা৷ বৃহস্পতিবার দুপুরে মনীষার বাপের বাড়িতে আসে লালমোহন৷ আবারও টাকা নিয়ে ঝগড়াঝাটি শুরু হয় দুজনের৷ লালমোহন মারধর করতে শুরু করে মনীষাকে৷  বাধা দিতে এসেও ঝগড়া থামাতে পারেননি মনীষার বাপের বাড়ির লোকজনেরা৷ ঝগড়া চলতে চলতেই ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে আচমকাই স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয় লালমোহন৷ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ছটফট করতে শুরু করেন মনীষা৷ এরপরই নিজের গায়েও আগুন লাগিয়ে দেয় তার স্বামী৷ ঘরের মধ্যেই ছিল দম্পতির ১৪ দিনের শিশু৷ তার গায়েও আগুন লেগে যায়৷ মনীষার বাপের বাড়ির লোকজন দরজা ভেঙে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তিনজনকেই উদ্ধার করে৷ বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের৷ স্বামী, স্ত্রী মারা যান৷ অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশুটি৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.