Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

স্ত্রীকে মেরে দেহ টুকরো করে বাড়িতে রেখেছিল স্বামী! ২১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা

পণের দাবিতে সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে খুন! শুধু তাই নয়, মৃতদেহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে প্লাস্টিকের ব্যাগেও ভরা হয়! বাড়ির কয়লা রাখার জায়গাতেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল দেহাংশ! সেই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল দুর্গাপুর-সহ আশপাশের এলাকা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ২০:৪৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ২০:৪৬

options
link
স্ত্রীকে মেরে দেহ টুকরো করে বাড়িতে রেখেছিল স্বামী! ২১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা zoom
২১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা।
Advertisement

পণের দাবিতে সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে খুন! শুধু তাই নয়, মৃতদেহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে প্লাস্টিকের ব্যাগেও ভরা হয়! বাড়ির কয়লা রাখার জায়গাতেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল দেহাংশ! সেই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল দুর্গাপুর (Durgapur) -সহ আশপাশের এলাকা। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল স্বামী নরসিংহ সেনাপতিকে। সেই ঘটনার ২১ বছর পর সাজা শোনাল আদালত। দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত।

ঘটনাটি ২০০৫ সালের। দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার রেল কলোনি এলাকার নরসিংহ সেনাপতির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল রূপার। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর পণের জন্য শুরু হয় অত্যাচার। বিয়ের তিন মাসের মধ্যেই স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করেছিল নরসিংহ। প্রথমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে রূপাকে খুন করা হয়েছিল। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কাটা হয়! লোপাটের জন্য দেহের একাধিক অংশ, হাত-পা কাটা হয়েছিল। সেইসব কাটা অঙ্গপ্রতঙ্গ টুকরো করে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরা হয়। ওইসব প্যাকেট বাড়ির এক কোণেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। সেইসময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। 

Advertisement

প্রথমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে রূপাকে খুন করা হয়েছিল। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কাটা হয়! লোপাটের জন্য দেহের একাধিক অংশ, হাত-পা কাটা হয়েছিল। সেইসব কাটা অঙ্গপ্রতঙ্গ টুকরো করে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরা হয়। ওইসব প্যাকেট বাড়ির এক কোণেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

ঘটনার দিন বাড়ি ফিরে পুত্রবধূকে দেখতে না পেয়ে নরসিংহের বাবা-মা ছেলেকে প্রশ্ন করেছিলেন। প্রথমে এড়িয়ে গেলেও পরে জানায়, স্ত্রীকে খুন করেছে। দেহাংশ কয়লা রাখার জায়গায় লুকনো রয়েছে! সেই কথাও নির্দ্বিধায় বাবা-মাকে জানায় ছেলে। হতবাক হয়ে পড়েছিলেন বাবা-মা। সেই কথা জানাজানি হতেই রেল কলোনি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা কোকওভেন থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে ওই দেহাংশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে।

দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে মামলা চলে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলে বিচারপ্রক্রিয়া। আদালতে স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল ওই ব্যক্তি। আজ, শুক্রবার বিচারক গিরিজানন্দ জানা অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সাজা শোনালেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.